বরিশাল কীর্তনখোলা নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়ন বাজারের ২০টি দোকানসহ বিশাল এলাকা। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে চরকাউয়া খেয়াঘাট ও বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বাজার এলাকায় আকস্মিকভাবে এ ভাঙন শুরু হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে।
ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থ দোকানদার মো. সফিকুল ইসলাম জানান, খুব সকালে খেয়াঘাটের পন্টুন ও সড়কসহ বিশাল এলাকা নদীগর্ভে দেবে যেতে শুরু করে এবং মুহুর্তের মধ্যে বাজারের ২০টি দোকান নদীগর্ভে চলে যায়। সেই সঙ্গে বিলীন হয় চরকাউয়া বাজার এলাকার বিশাল অংশের পাকা সড়ক। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভাঙনের কবলে পড়ে বাজারের ব্যবসায়ীরা ও স্থানীয়রা দিশেহারা হয়ে পড়েন। এসময় নিজেদের মালপত্র নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছোটাছুটি শুরু করেন তারা।
অপর ব্যবসায়ী হায়দার আলী জানান, সকাল ৬টার দিকে হঠাৎ করেই ভাঙন শুরু হলে তিনি কয়েক টুকরো কাঠ ছাড়া কিছুই রক্ষা করতে পারেননি। এখন হয়তো পরিবার-পরিজন নিয়ে পথেই বসতে হবে তাকে। বিগত কয়েক বছর ধরে কীর্তনখোলা নদীর এ অংশে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু তা ঠেকাতে জোরালো কোনো পদক্ষেপ নেই।
নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্য জাকিয়া বেগম জানান, সকালে ভাঙন শুরু হলেও থেমে থেমে ভাঙন অব্যাহত আছে। এছাড়া চর বাড়ীয়া আহমদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসাসহ ওই এলাকার এখনো বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙ্গন ঝুকিতে আছে বলে জানান তিনি।
এদিকে, খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ১০টায় বরিশালের জেলা প্রশাষক ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এসময় তিনি জানান, প্রথমে ভাঙন রোধের ব্যবস্থা করা হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
জেডআই





