সবুজ প্রকৃতির অপরূপ শোভায় ঘেরা বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সৌন্দর্য রক্ষায় নগরীর সব অবৈধ বিলবোর্ড, হোর্ডিং ও অন্যান্য বিজ্ঞাপণী প্রচারণা অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন- চসিক। নগরীর সব এলাকার অবৈধ বিলবোর্ড চিহ্নিত করতে ইতোমধ্যেই ১০ সদস্যের একটি সার্ভে কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এম মঞ্জুর আলম জানান, সবুজ পাহাড়, কর্ণফুলী নদী আর সাগর ঘেরা অপরূপ শহর চট্টগ্রাম। অথচ যত্রতত্র অবৈধ বিলবোর্ড আর বিজ্ঞাপনি প্রচারণার কারনে ঢাকা পড়েছে নগরীর অপরূপ সৌন্দর্য। এছাড়া বেশকিছু এলাকায় অবৈধ বিলবোর্ড নগরীর চলাচলকেও বিপজ্জনক করে তুলছে। এই পরিস্থিতিতে নগরীর সব এলাকা থেকে অবৈধ বিলবোর্ড উচ্ছেদে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এ লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) ও বিলবোর্ড ব্যবসায়ীদের সংগঠন চিটাগাং আউটডোর অ্যাডভার্টাইজিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সমন্বয়ে ১০ সদস্যের একটি সার্ভে টিম গঠন করা হয়েছে বলেও জানান, মেয়র। মঙ্গলবার গঠিত এই সার্ভে টিম আজ বুধবার থেকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে নগরীর সব অবৈধ বিলবোর্ডের তালিকা প্রস্তুত করবে। এ টিমের সদস্যরা আজ নগরীর বহদ্দারহাট এলাকা থেকে সার্ভে কার্যক্রম শুরু করবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, নগরীর অবৈধ বিলবোর্ড শনাক্ত করার জন্য বৈধ বিলবোর্ড ব্যবসায়ীদেরকে তাদের স্থাপিত বিলবোর্ডে মালিক ও প্রতিষ্ঠানের নাম সম্বলিত স্টিকার লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন মেয়র।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কর্পোরেশনের অনুমোদিত বিজ্ঞাপনী সংস্থা ২১৯টি। কর্পোরেশনের জায়গায় বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে ৩ হাজার ৯৬৪টি। সরকারি-বেসরকারি জায়গায় বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে ২ হাজার ৯৪টি। আর সিটি কর্পোরেশনের তালিকা অনুযায়ী নগরীতে অবৈধ বিলবোর্ডের সংখ্যা ৩৭৯টি।
জেআই





