গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় নদী ভাঙ্গন অব্যাহত থাকায় ১ হাজার ২৭০টি পরিবার তিস্তা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
গত এক মাসে বসতবাড়ি, বাঁশঝাড়, কলাবাগান, পানের বরজ, মসজিদ, মন্দির, ঈদগাহ মাঠসহ শতশত বিঘা আবাদী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
এতে করে নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকার ১ হাজার ২৭০ পরিবার ভিটে মাটি, জমিজমা হারিয়ে নিঃশ্ব হয়ে পথে বসেছে। অনেকেই বেড়িবাধ, স্কুল মাঠ ও অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে অনাহারে অর্ধাহারে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
এলাকাগুলি হচ্ছে, চর খোর্দ্দা, ভাটির চর, রাঘব, চর মাদারিপাড়া, লখিয়ারপাড়া, কাশিমবাজার, হরিপুরঘাট, ছয়ঘড়িয়া,
কালিরখামার, বোচাগাড়ি, উজানবোচাগাড়ি, ভাটিকাপাসিয়া, ভাটি বুড়াইল, ভাটিবোচাগাড়ি, লালচামার, পূর্ব লালচামারসহ ৩০টি এলাকা।
কাপাসিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মঞ্জু মিয়া জানান, গত এক মাসে তার ইউনিয়নে ৪ শতাধিক পরিবার নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরন্নবী সরকার জানান, গত এক মাসে ১ হাজার ২৭০টি পরিবার নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে।
এ পর্যন্ত ভাঙ্গন কবলিত এলাকার জন্য ৯ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
এআর





