নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার মধ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন বিদায়ী সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ।
বুধবার বিকালে সাড়ে ৩টায় বঙ্গভবনে যাচ্ছেন তিনি। তবে এটা সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে ইসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
ইসি সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ মঙ্গলবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এটা একেবারেই সৌজন্য সাক্ষাৎ। কমিশনের অন্য কেউ তার সঙ্গে থাকবেন না।”
আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে বিদায় নিচ্ছে কাজী রকিব নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিশন। সংবিধান অনুযায়ী, তারপর নতুন ইসি গঠন করবেন রাষ্ট্রপতি।
২০১২ সালে ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান নিবন্ধিত অধিকাংশ দলের সঙ্গে সংলাপের পর সার্চ কমিটির মাধ্যমে কাজী রকিব নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের ইসি নিয়োগ দেন।
সর্বশেষ ২ অক্টোবর বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের কাছে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র তুলে দিয়ে আসেন সিইসি কাজী রকিব। তখন দুই নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিবও তার সঙ্গে ছিলেন।
বর্তমান কমিশনের চার বছর পূর্তিতে গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করে পুরো কমিশন। এরপরই দেশজুড়ে ইউপি ভোটের তফসিল ঘোষণা করা হয়।
সিইসির সঙ্গে রাষ্ট্রপতির এবারের সাক্ষাতের বিষয়টি সৌজন্য সাক্ষাৎ হওয়ায় এ নিয়ে কমিশনের মধ্যে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানান জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আবদুল মোবারক।
তিনি বলেন, “যতদূর জানি, সিইসি একাই যাচ্ছেন।”
নির্বাচন কমিশনার আবু হাফিজ বলেন, “এটা সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ। কবে নাগাদ সিইসির সঙ্গে হচ্ছে বা হবে, তা আমি জানি না। কিন্তু কমিশনের কোনো বিষয়ই এর মধ্যে নেই। তাই আমাদের সঙ্গে আলোচনা বা সুপারিশের কোনো প্রসঙ্গ নেই।”
“আমরা এখন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত রয়েছি। অবশ্য, বিদায়ের পর আমরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত করব,” বলেন তিনি।
একজন নির্বাচন কমিশনার দেশের বাইরে রয়েছেন, অন্যজন ঢাকার বাইরে অবস্থান করছেন বলে ইসি কর্মকর্তারা জানান।
জারিফ





