রাজবাড়ী ও মির্জাপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ২১ জন।
রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, রাজবাড়ীর দৌলতিয়া-কুষ্টিয়া মহাসড়কের গান্ধিমারা এলাকায় যাত্রীবাহী বাস ও মাহেন্দ্র ট্রাকটরের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ৪ জন নিহত হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৬ জন। তাদের রাজবাড়ী হাসপাতাল ও ফরিদপুর মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে সাইদুল নামে একজনের পরিচয় পাওয়া গেলেও তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি বাকিদের নাম পরিচয়।
এদিকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়। শনিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে মির্জাপুর উপজেলার পোস্টকামুরী চড়পাড়া নামক স্থানে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- বিমান বাহিনীর সার্জেন্ট গাইবান্ধা জলার সুদুল্যাপুর উপজেলার খামারপাড়া গ্রামের মৃত একরামুল হকের ছেলে মো. আশরাফুল ইসলাম (৩৫), ঢাকা জেলার সাভার উপজেলা সদরের ডগরমুড়া গ্রামের জমশের আলীর পুত্র জমির আলী (৩৫), নওগা জেলা সদরের হাজীপাড়া গ্রামের মৃত মছির উদ্দিনের ছেলে আনিসুর রহমান (৫২), একই এলাকার কুনাইল গ্রামের মৃত হাসান আলীর ছেলে আব্দুল কদ্দুস (২৮) ও জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার কদুরা গ্রামের মৃত নুরুল হকের ছেলে আতাউর রহমান (৫২)।
নিহত বিমান বাহিনীর সার্জেন্ট আশরাফুল ইসলাম ছুটি শেষে শনিবার রাতে বগুড়া সদরের বাসা হতে ঢাকায় কর্মস্থলে আসছিলেন বলে পুলিশ সুত্র জানিয়েছেন।
মির্জাপুর গোড়াই হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, আইনী পক্রিয়া শেষে নিহতদের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, নওগাঁ থেকে ঢাকাগামী ডিপজল এন্টারপ্রাইজের যাত্রীবাহী একটি বাস ঘটনাস্থলে পৌছালে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা আলু বোঝাই একটি ট্রাককে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকটি রাস্তার পাশে প্রায় পাঁচ ফুট খাদে পড়ে যায় এবং বাসের বাম পাশের অংশ চুর্ণবিচুর্ণ হয়। এসময় ঘটনাস্থলেই বাসের তিন যাত্রী মারা যান। দুর্ঘটনায় আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দু’জন মারা যায়।
আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছেন।
এমকে





