বগুড়ায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছে ২ শ্রমিক।
বগুড়ার শিবগঞ্জে নাগর নদীর তলদেশ থেকে বালু উত্তোলনের সময় এ ঘটনা ঘটে। উপজেলার উত্তর ছাতরা গ্রামে অবৈধ বালু উত্তোলন ও বিক্রির কারণে নাগর নদী তীরবর্তী অঞ্চলে প্রায় ২০ ফুট গভীর কূপের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে সেই কূপের ভেতরে থাকা শ্যালো মেশিনের পাইপ মেরামতের চেষ্টা করতে গিয়ে প্রাণ হারান খায়রুল ইসলাম (২৫) ও মোশাররফ হোসেন (২০) নামের ওই দুই শ্রমিক। অক্সিজেনের অভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষের।
পুলিশ বলছে, ওই শ্রমিকদের নিয়োগকারীর অবহেলায় তাদের মৃত্যু হলে হত্যা মামলা দায়ের করা হবে।
নিহত খায়রুল জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের বানিয়াচাপড় গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে। একই গ্রামের মোস্তফা সরকারের ছেলে মোশাররফ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উত্তর ছাতরা গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের ছেলে নাসির উদ্দিন দক্ষিণ ছাতড়া গ্রামের তেঁতুলতলা এলাকায় নাগর নদীর তীর নিজের দাবি করে সেখানে শ্যালো মেশিন স্থাপন করেন। সেখান থেকে শ্রমিকের মাধ্যমে বালু উত্তোলন ও বিক্রি করায় প্রায় ২০ ফুট গভীর কূপের সৃষ্টি হয়।
শুক্রবার বেলা ১টার দিকে সেখানে কর্মরত ছিলেন শ্রমিক খায়রুল ও মোশাররফসহ তিনজন। খায়রুল মেশিনের পাইপ ঠিক করতে কূপে নেমেই অচেতন হয়ে পড়েন। মোশাররফ তাকে উদ্ধারের জন্য নামলে একই পরিস্থিতিতে পড়েন। তৃতীয় শ্রমিকের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে অনেক কষ্টে বাঁশের মাধ্যমে দু’জনকে কূপ থেকে ওপরে তোলেন। খবর পেয়ে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অচেতন দুই শ্রমিককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। সেখানে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
জেড





