কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের কারাওয়ার্ডে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে গেছে দুই আসামি।

রোববার সন্ধ্যায় ইফতারের পর পরই তারা পালিয়ে যায়। তবে কিভাবে তারা পালিয়ে গেছে কেউ সঠিকভাবে বলতে পারছে না।

পলাতক আসামিরা হলেন- কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার আড়াইউরা এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে তারেক (২৪) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বায়ে গ্রামের মৃত আবু তাহেরের ছেলে ইয়াসিন (২০)।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, পাঁচদিন আগে আহতাবস্থায় তারেককে কুমেকের কারাওয়ার্ডে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। আর রোববার বিকালে নিয়ে আসা হয় ইয়াসিনকে।

সন্ধ্যায় ইফতারের পর পুলিশি হেফাজত থেকে তারেক ও ইয়াসিন পালিয়ে যায়। দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের দাবি, হাসপাতালের ভেন্টিলেটর ভেঙে তারা পালিয়ে গেছে।

তবে হাসপাতালের ভেন্টিলেটর ভেঙে পালিয়ে যাবার বিষয়টি সন্দেহমুক্ত নয় বলে দাবি করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কুমেক হাসপাতালের এক কর্মকর্তা।

এ ঘটনার পরপর কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খোরশেদ আলমসহ কারা ও পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ওসি খোরশেদ আলম বলেন, যেভাবেই পালিয়ে যাক না কেন, দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ওসি বলেন, ইফতারি খাওয়ার যে সুযোগটা, ইফতারি খাওয়ার যে সময়টা পুলিশকে বোকা বানিয়ে তারা দুজন চম্পট দিছে। আমাদের যারা পুলিশ দায়িত্বে ছিল, তারা বলছে যে ভেন্টিলেটর দিয়ে পাস হয়ে গেছে। ওখানে যাওয়ার মতো অবস্থা আছে, আমি দেখেছি। এটা আমাদের পুলিশেরই, যারা এখানে দায়িত্বে ছিল, তাদের অবহেলা আছে। তাদের বিরুদ্ধে আমরা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছি।

খোরশেদ আলম জানান, জেলা পুলিশের চার জন কনস্টেবল শহীদ, সালাহ উদ্দিন, নাজমুল, সাইফুল এবং কারা পুলিশের তিনজন হাবিলদার আবদুর রাজ্জাক, শাহজাহান ও আবদুল মালেক ঘটনার সময় দায়িত্বে ছিলেন।যেভাবেই পালিয়ে যাক না কেন, কর্মকর্তাদের বিরুদ্বে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এআর