তিনি আরও বলেন, অনেক সময় নানা কারণে বিস্ফোরণ হয়, কখনো মিথেন গ্যাস, কখনো এসির গ্যাস। এটা গ্যাসজনিত কোনো বিস্ফোরণ হতে পারে। এরপরও তদন্ত করে দেখা যাবে যে এটা নাশকতা, নাকি দুর্ঘটনা।
খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, বিস্ফোরণে অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ তাদেরকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসছে। আমি এখানে এসে জানতে পারলাম ১০ থেকে ১২ জন লোক মারা গেছেন। আরও অনেকেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। এর মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর। আমি ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা নিরবচ্ছিন্নভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন।
তিনি বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত যতটুকু জানতে পেরেছি সিদ্দিক বাজারের সেটি একটি বাণিজ্যিক ভবন ছিল। নিচ তলায় বিভিন্ন সেনেটারি সামগ্রী ছিল। ওই ভবনে গ্রামীণ ব্যাংক ও ব্রাক ব্যাংক এর অফিস ছিল। আরো কিছু কমার্শিয়াল দোকান ছিল। যেহেতু সেটি একটি ধ্বংসস্তূপ হয়েছে ,তাই তদন্ত না করে বিস্তারিত বলতে পারব না।
এসময় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান হারুন অর রশিদসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এন





