বেনাপোল চেকপোস্টে সোনার বাংলা নামে একটি আবাসিক হোটেলের এক হোটেল বয়কে নির্যাতন করে হত্যা করা হযেছে।
যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বুধবার রাত এগারোটায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ২ জনকে আজ বৃহস্প্রতিবার সকালে আটক করেছে পুলিশ।
মৃত মফিকুল ইসলাম মুন্না (১৬) বেনাপোলের বহিলাপোতা গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের পুত্র। জাহাঙ্গীর হোসেন বর্তমানে দিঘীরপাড় গ্রামে বসবাস করেন। আর মুন্না বেনাপোল চেকপোস্ট এলাকায় সোনার বাংলা আবাসিক হোটেলের বয়।
হোটেলের মালিক আবু তালেব গতকাল বুধবার বিকেলে মুন্নাকে আহত রোগী হিসেবে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এরপর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১ টার দিকে তার মৃত্যু হয়। ডা. মনিরুজ্জামান লর্ড তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মুন্নার পিতা জাহাংগীর হোসেন জানিয়েছেন, গত ৮ মে গভীর রাতে মুন্নাকে নির্যাতন করে গুরুতর আহতাবস্থায় স্থানীয় মুন্নার খালু সাদীপুর গ্রামের শামীমের বাড়িতে আবু তালেবের লোকজন রেখে যায়। পরে সেখান থেকে একদিন পর নাভারণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। তার অবস্থার অবনতি ঘটলে দ্রুত যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়।
তাকে মারপিট করে হোটেলের দোতলা থেকে ফেলে দেয়া হয় বলে অভিযোগ করেছে নিহতের পিতা। এ ঘটনায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে পিতা জাহংগীর হেসেনর অভিযোগ। মৃতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্র জানান।
হোটেল মালিক আবু তালেবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল ফোনে বলেন, মুন্না তার ছেলের মতো। সে জ্বরে আক্রান্ত হয়। হাই পাওয়ারের ওষুধ খেয়ে মাথা ঘুরে সিঁড়ির ওপর থেকে পড়ে যায়। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি অপূর্ব হাসান জানান, মুন্না নিহতের ঘটনায় আজ বৃহস্প্রতিবার সকালে বেনাপোল পোর্ট থানায় হোটেল মালিক আবু তালেব সহ তিন জনকে আসামী করে তার পিতা বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে।
পুলিশ আজ সকালেই হোটের মালিকের ছেলে মিলন আলী ও স্ত্রী নুর নাহার বুলুকে আটক করেছে। তবে হোটেল মালিককে আটকের চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি অপূর্ব।
এমআইএস





