এর আগে ২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সাকার মাছ নিষিদ্ধ করতে প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন অব ফিশ অ্যাক্ট, ১৯৫০–এর ১৮ নম্বর ধারা সংশোধন প্রস্তাব প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করে মন্ত্রণালয়।
এ বিষয়ে কারও কোনো আপত্তি বা পরামর্শ থাকলে লিখিতভাবে অনধিক দুই মাসের মধ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মৃনাল কান্তি দে-কে জানানোর জন্য বলা হয়।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, দুই মাস সময় ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং প্রস্তাবিত সংশোধনের উপর পাওয়া মতামতের ভিত্তিতে সরকার এ রুলসের অধিকতর সংশোধনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, কোনো ব্যক্তি সাকার মাছ আমদানি, প্রজনন, চাষ, পরিবহন, বিক্রি, গ্রহণ বা প্রদান, বাজারজাতকরণ, সংরক্ষণ করতে পারবেন না।
এমআই





