খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলায় আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে ৪ জন আহত হয়েছে।
আজ (শুক্রবার) সকাল ৯টায় উপজেলার কলাবাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের পুলিশ ও স্থানীয় জনতা উদ্ধার করে পানছড়ি হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
আহতরা হলেন- জিয়ানগর এলাকার আ. গফুরের ছেলে আ. মালেক (৩৫), কলাবাগান এলাকার বাসিন্দা আ. আজিজ খন্দকারের ছেলে ইকবাল খন্দকার (৩০), উপজেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি আ. মোমিনের ছেলে মো. মফিজুর রহমান (২৭) এবং তার চাচা আ. সবুর (৫২)।
আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্রে জানা যায়, পানছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আ. মোমিন দলের সভাপতি থাকা অবস্থায় উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় তার এবং তার ছোট ভাই -এর নামে করে নেয়। উপজেলা আওয়ামী লীগ বারবার দলীয় কার্যালয় দলের নামে লিখে দেওয়ার জন্য আ. মোমিন কে চাপ দিতে থাকে।
এ নিয়ে দীর্ঘ দিন যাবৎ বিরোধ চলছিল। যার কারণে শুক্রবার সকালের দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা যতক্ষণ পর্যন্ত দলের অফিস দলকে লিখে না দেবে ততক্ষণ আ. মোমিনের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার অনুরোধ জানান।
এই অনুরোধ না মেনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার কারণ দলের নেতা কর্মীরা জানতে গেলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
পানছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. বাহার মিয়া বলেন, তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি থাকাকালীন দলীয় কার্যালয়টি নিজের ও তাঁর ভাইয়ের নামে করে নেয়। সকালে নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়টি ছেড়ে দিতে বললে তার লোকেরা আমাদের নেতাকর্মীদের উপর আক্রমণ করে।
দলীয় কার্যালয়ের জায়গার মালিকানা দাবী করে পানছড়ি উপজেলা আ’লীগের সাবেক সভাপতি মো. মোমিন বলেন, আমি সভাপতি থাকাকালীন দলের কোন অফিস ছিল না। আমার ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানটি দলীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করেছি। সরকার দলীয় কয়েকজন আমার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান স’মিল থেকে গত ৯ নভেম্বরে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় তারা আমার উপর ও আমার ছেলে, ভাই এবং স’মিলের কর্মচারীর উপর আক্রমণ করে।
সিদ্দিক/এমবি





