হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব, দেশবরেণ্য আলেম আল্লামা জুনাইদ আহমদ বাবুনগরি বলেছেন, ‘ন্যায় বিচারের প্রতিক পবিত্র কুরআন, গ্রীক মূর্তি নয়।

সুপ্রিম কোর্টের মূর্তি অবিলম্বে সরিয়ে ধর্মীয় মূল্যবোধের সাথে মিল হয় এমন ভাস্কর্য (কুরআনের প্রতীক) অনতিবিলম্বে বসাতে হবে। নতুবা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদসহ সব জায়গায় একমাত্র আল্লাহর আইন চলবে।

শুক্রবার রাত নয়টায় শ্রীমঙ্গল খেদমতে কুরআন পরিষদের দুইদিন ব্যাপি তাফসিরুল কুরআন মহাসম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় অধিবেশনে ভানুগাছ সড়কের রেলওয়ে মাঠ প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথির বয়ানে তিনি এসব কথা বলেন।

আল্লামা জুনাইদ আহমদ বাবুনগরি আরো বলেন, ‘পর্দা, হিজাব, বোরকাধারী এবং পাঞ্জাবি টুপিধারীদের যারা জঙ্গি বলে মূলত: তারাই জঙ্গি। ইসলাম রক্ষার একমাত্র দুর্গ হল কওমি মাদরাসা। কওমি মাদরাসা জঙ্গি প্রজনন কেন্দ্র নয় বরং ইলম চর্চা ও দ্বীন প্রচারের বলিষ্ট কেন্দ্র। জঙ্গি-সন্ত্রাস মাদরাসায় তৈরি হয় না। এসব কওমি মাদরাসায় খাঁটি আলেম ও সুনাগরিক তৈরি হয়।

তিনি বলেন, জালিম সরকার ছিল ফেরাউন, নমরুদ। তারা এক সময় ধ্বংস হয়েছে। এখনো যারা জুলম নির্যাতন করবে তারাও একদিন ধ্বংস হবে। কবরে ও হাশরে কোন দল বা নেতার পরিচয় কাজে আসবে না। ক্ষমতার বাহাদুরি কেবল মাটির উপরেই। কাজেই জুলুম নির্যাতন বন্ধ করতে হবে, মুসলিম জাতির কল্যাণে কাজ করতে হবে।’

বাবুনগরি আরো বলেন, ‘নাস্তিক ও মুরতাদদের পরিণতি হবে ভয়াবহ। মাজার পূজারি, বিদআতী, কবরপুজারী, দরগা পুজারী এবং যারা লেংটা বাবার সেজদা করে তারা দ্বীন ইসলামের ডাকাত। বিদআতে হিদায়াত নাই, বিদআত হল জাহান্নামের রাস্তা। কাজেই সবাইকে শিরক বিদআতমুক্ত ইবাদত করতে হবে।

যেখানে শিরক বিদআত হবে সেখানেই মোকাবিলা করতে হবে। সবধরণের ইবাদতের মালিক একমাত্র আল্লাহ। কুরআনী আইন কানুন প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে রক্ত ঢেলে দেয়ার প্রয়োজন হলে জানমাল কুরবানের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে বলেও যোগ করেন তিনি।

এমএনজে