নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মিছিলে বাধা ও মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে হিজবুত তাওহীদ ও এলাকাবাসীর মধ্যে সংঘষের্র ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এঘটনায় সাংবাদিক সহ অন্তত শতাধিক আহত হয়েছে।

সোমবার দুপুর ১২ টা থেকে উপজেলার চাষির হাট ইউনিয়নের পোরকরা গ্রামে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ হয়। এ সময় সড়ক অবরোধ-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

পোরকরা গ্রামের নুরুল হক ও তার ছেলে সেলিম মিয়া দীর্ঘদিন ধরে হিজবুত তাওহীদের নামে ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ড করে আসছিল। এমন অভিযোগে এলাকার লোকজন প্রতিবাদ করলে হিজবুত তাওহীদের লোকজন এলাকাবাসীর প্রতি চড়াও হয়।

সোমবার সকালে চাষীরহাট ইউনিয়নসহ আশপাশের মসজিদের ইমামসহ এলাকাবাসী ইসলাম বিরোধী কর্মকা- বন্ধের দাবিতে মিছিল নিয়ে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিকারুজ্জামানের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন।

এসময় চাষীরহাট বাজারে হিজবুত তাওহীদের সদস্যরা অতর্কিতভাবে অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে এলাকাবাসীর উপর হামলা চালায়। এসময় তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মিজান, জহির, আলা উদ্দীন, রাকিব ও আলমসহ বেশ কয়েকজন আহত হলে এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।

খবর পেয়ে সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) নিকারুজ্জামন ঘটনাস্থলে পৌঁছলে উত্তেজিত জনতা তাকে আধা ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে। তাৎক্ষণিক খবর পেয়ে সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নির্বাহী অফিসারকে উদ্ধার করে। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে ৬ ঘণ্টাব্যাপী ধাওওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ সহ দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র ও বোমা নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষ চলাকালে উত্তেজিত গ্রামবাসী হিজবুত তাওহীদের সদস্য সোলেমান খোকন (৩৫), ইব্রাহীম রুবেল (৩০), আবদুস সোবহান (৬০) কে জবাই করে হত্যার পর আগুন দিয়ে পুড়ে ফেলে।

এআই