মঙ্গলবার গার্লস সামিটে যোগ দেয়ার আগেই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরুনের সাথে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে বসবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার সকালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরণ। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি একেএম শামীম চৌধুরী হোটেল হিল্টন অন পার্কলেইনে এক সংক্ষিপ্ত প্রেস বিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

প্রেস সেক্রেটারি জানান, দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়েই দুই প্রধানমন্ত্রীর আলোচনা হবে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠক শেষে সরাসরি গার্লস সামিটস্থলে চলে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রেস সেক্রেটারি শামীম জানান, সম্মেলনে মেয়েদের বিরুদ্ধে সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে তার নিজের ভাবনা, বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নে তার সরকারের চলমান প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সফরকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে ব্রিটেনের মিনিস্টার ফর স্টেইট ইন্টারন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট ডেজমন্ড সোয়েন, শ্যাডো সেক্রেটারি অব স্টেট ফরেন অ্যাফেয়ার্স ডগ্লাস আলেক্সজান্ডার ও বেশ কয়েকজন ব্রিটিশ এমপির সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

সামিট শেষে মঙ্গলবার বিকেলেই যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলেও যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফারুক ইফতার মাহফিলের প্রস্তুতি চূড়ান্ত বলে বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক এন্থনি লেইক প্রধানমন্ত্রীকে লেখা আমন্ত্রণ পত্রে বাল্যবিবাহ মোকাবেলায় তার উদ্যোগের প্রশংসা করেন। বিশেষ করে বাংলাদেশে চাইল্ড ম্যারেজ রেসট্রেইন্ট অ্যাক্ট ১৯২৯ এর সংশোধনী অন্যান্য দেশকে অনুরূপ উদ্যোগ নিতে অনুপ্রাণিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয় তাদের চিঠিতে।

মেয়েদের খতনা এবং বাল্য ও জোরপূর্বক বিয়ে বিরোধী শীর্ষ সম্মেলন এটাই প্রথম। এর হোস্ট ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরণ। কো-হোস্ট হিসেবে রয়েছে ইউনিসেফ এবং যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রণালয়। সফর শেষে বুধবার সোয়া ৬টায় ঢাকার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী লন্ডন ত্যাগ করবেন বলে জানা গেছে।

ঢাকা, ২২ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই