বাংলাদেশে প্রতি বছর যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয় দূর্গা পূজা। এবছর ১৯ অক্টোবর সোমবার থেকে ষষ্ঠি পূজার মাধ্যেমে শুরু হবে দূর্গা পূজা।
মা দূর্গা দেবীর আগমনী বার্তায় সাজ সাজ রব বিরাজ করছে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে যা লক্ষ করা যায়,পূজা মন্ডপে গেলে।
এ বছর রৌমারী উপজেলার বড় পূজা হবে রৌমারী সদর,দাঁতভাঙ্গায় এই দুইটি মন্ডপে দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হবে বলে দাঁতভাঙ্গা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শ্রী শ্নতেস কর্মকার জানান।
দেবী মর্ত্যে আসছেন তারই আয়োজন চলছে হিন্দু সম্প্রদায়ের গরীব দুঃখি,ধনী মানুষের ঘরে ঘরে। আর মন্ডপে মন্ডপে চলছে শেষ মূহূর্ত্তে এসে প্রতিমা গড়া রং করা,আর সাজানোর প্রস্ততি।
মা দূর্গাকে বরণ করে নিতে সবাই মিলে অধির প্রতিক্ষায় দিন গুনছেন। মা আসছেন পুথিবী থেকে সব অশান্তি অন্যায় পাপকে বিনাশ করে,সত্য ও সুন্দরকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য।
বছর ঘুরে আসা আনন্দ ময়ীর এই আগমন সানিধ্যে তারা দুঃখ কষ্ট যন্ত্রনা ভ’লে সবাই আনন্দ পেতে চায়। দূর্গা প্রতিমাটি সবচেয়ে বড়, এবং তার পাশে রয়েছে প্রতিমা লক্ষঅ,স্বরস্বতী,কার্তিক,গনেশ,সিংহ আর মহিষ।
মোগল সম্রাট আকবরের রাজত্ব আমলে(১৫৫৬-১৬০৫) রাজশাহীর তাহির পুরের সামন্ত রাজাকংসনারায়ন মতান্তরে নদীয়ার সামন্ত রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় দূর্গা পূজার প্রচলন করেন বলেজানা যায়।
স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পূজারী জানান,এবারে মা আসবেন ঘোড়ায় চরে এবং ফিরেযাবেন দোলায় করে।
তিনি আরো জানান মা ঘোড়ায় এলে প্রাকুতিক দূর্যোগের আশংকা থাকে। দোলায় গেলে ভ’মিকম্প সহ দূর্যোগের আশংকা থাকলেও শ্যামল শষ্যে পূর্ন হবে দেশ।
হিন্দু ধর্ম মর্তে দূর্গা মূলতঃ শক্তির দেবী, তিনি শিবের স্ত্রী,পাবর্তী,কার্ত্তিক,গনেশের মা, এবং কালির অন্যরুপ। আক্ষরিক অর্থে দূর্গা হলেন দ-তে দৈত্যনাশ,উকার=তে বিঘনাশক,রেফ= তে রোগনাশক,গ=পাশ নাশক,আকার=তে ভয় ও শত্রুনাশক অর্থ্যাৎ দৈত্য, বিঙ্গনাশক,রোগ,পাপ,ভয় শত্রুহাত থেকে যিনি রক্ষা করেন তিনি দূর্গা।
দেবতার শক্তিতে শক্তিময়ী বিভিন্ন ভাবে অস্ত্রে,সত্তে,সজ্জিত হয়ে দেবী যুদ্ধে মহিমাসুরকে বধ করেন,তাই দেবীর দেবীরআর এক নাম মহিষমর্দিনী। দূর্গা পূজার প্রচলন সর্ম্পকে কৃত্তিবাসী রামায়ন থেকে জানা যায় রাম চন্দ্রন রাবন বধের জন্য অকালে শরৎকালে দেবীরপূজা অর্চনা করেছিলেন, বলে তখন থেকেএর নামহয় অকাল বোধন বা শারদীয়া দর্গা পূজা।
দাঁতভাঙ্গা বাজারের মন্ডপের প্রতিমা তৈরির কারীগর জানান,প্রতিমা গড়ার সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে মুখ গড়া এবং চোক আকা।
এই বিদ্যা রপ্ত করতে অনেক সময় ও সাধনা করতে হয়। বাপ দাদার পূর্ব পূরুষদের পেশা হিসাবে র্দীঘ ৮ বছর যাবৎ এই পেশায় নিয়োজিত আছি।
এসএইচ





