শুক্রবার (১৭ মার্চ) সকাল ১০ টার দিকে টুঙ্গিপাড়া পৌঁছান তিনি।

টুঙ্গিপাড়া যাওয়ার আগে সকাল ৭টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এদিকে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদেরও যাওয়ার কথা রয়েছে। তাদের আগমন সফল করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলাজুড়ে নেওয়া হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, টুঙ্গিপাড়া পোঁছে প্রথমেই বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন প্রধানমন্ত্রী । এ সময় সেনা, নৌ এবং বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল তাদের গার্ড অব অনার প্রদান করবেন। পরে তারা বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেবেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত শিশু সমাবেশে যোগ দেবেন। সেখানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য ‘স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্নে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন, শিশুদের চোখ সমৃদ্ধির স্বপ্নে রঙিন’।

এছাড়া টুঙ্গিপাড়ায় দিবসটি উদযাপনে শিশু প্রতিনিধির বক্তব্য, বঙ্গবন্ধু ও শিশু অধিকারবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, কাব্যনৃত্য গীতি আলেখ্যানুষ্ঠান এবং বই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার এবং গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে আর্থিক অনুদান প্রদান করবেন।

এনএইচ