বাড়ি ভাড়া ব্যাংকে জমা দেয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে কর বাবদ বাড়তি অর্থ ভাড়াটিয়াদের বহন করতে হবে বলে জানিয়ছে বাড়ির মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ হাউজ অ্যান্ড ফ্ল্যাট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংগঠনের নেতারা এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।
এসময় লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের আহ্বয়ক মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, বাড়ি ভাড়া ব্যাংকে জমা দেয়া বাধ্যবাধকতার ফলে বাড়ির মালিক, ভাড়াটিয়া ও রাজস্ব কর্মকর্তাদের মধ্যে অশুভ আতাঁত সৃষ্টির আশংকা রয়েছে। যা সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির উদ্যোগকে ব্যাহত করবে।
তিনিবাড়ি ভাড়া আইন সংশোধন ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত বাড়ি ভাড়ার বাজার মূল্য ভিত্তিমূল্য ধরে ৫ শতাংশ কর আরোপের দাবি করেন। এতে সরকারের ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে বলে মনে করেন তিনি।
হেলাল উদ্দিন বলেন, সময় স্বল্পতা বা বাস্তবতার কারণে অনেক বাড়িওয়ালার পক্ষে টিআইএন গ্রহণ করা সম্ভব হয় না। তাদের টিআইএন সার্টিফিকেট নেয়ার জন্য কমপক্ষে দুই মাস সময় দিতে হবে। টিআইএন নেয়ার পূর্বে অর্জিত বাড়ি ভাড়ার উপর কর আদায়ের বিষয়টি বিবেচনায় আনা যাবে না।
প্রত্যেক বাড়ির হোল্ডিং নম্বর রয়েছে। এই হোল্ডিং নম্বর অনুযায়ী প্রতিটি বাড়ির একটি বাজার মূল্য এবং ভাড়ার হার নির্ধারিত আছে। এক্ষেত্রে সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা বাড়ির বাজার মূল্য বা ভাড়াকে ভিত্তিমূল্য ধরে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ কর নির্ধারণের দাবি জানান তিনি।
এ সময় মালিবাগ বাগানবাড়ি কল্যাণ সমিতির সভাপতি রেজাউল ইসলাম খান, মগবাজার সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মনসুর কাদের খান, ঢাকা মহানগর সমিতির মহাসচিব আবু মোতালেব হোসেন, পুরাণ ঢাকার বাড়ির মালিক আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।
বাড়িওয়ালাদের বাড়ি ভাড়া থেকে কর ফাঁকি কমাতে গত ৫ জুন জাতীয় সংসদে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বাড়ি ভাড়া ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধের সুপারিশ করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
জাল বৃদ্ধিসহ কর ফাঁকি কমাতে বাড়ি ভাড়া আদায়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনার জন্য ব্যাংকের মাধ্যমে বাড়ি ভাড়া পরিশোধ নিশ্চিত করতে আয়কর আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন করার প্রস্তাব দেন তিনি। তিনি প্রস্তাব করে বলেন, এতে বাড়ি ভাড়া বলতে ভাড়া ও সার্ভিস চার্জ দুটিই অন্তর্ভুক্ত হবে এবং মাসিক ভাড়া ২৫ হাজার টাকার বেশি হলে ব্যাংকের মাধ্যমে বাড়িভাড়া পরিশোধ করতে হবে।
ঢাকা, ১৪ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ





