‘দৈনিক সংগ্রাম’-এর অফিস ভাংচুর, সম্পাদক আবুল আসাদকে গ্রেফতার ও জিডিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সেচ্ছাসেবী সংগঠন রিভারসাইড ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সংগঠনটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানানো হয়।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গত শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার মগবাজরস্থ দৈনিক সংগ্রাম অফিসে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামে একটি সংগঠনের নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। যা একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য হুমকিস্বরুপ। বিশেষ করে প্রবীণ সংবাদিক, সম্পাদক আবুল আসাদকে হেনস্থা ও জোর করে ক্ষমা চাওয়ানো ইতিহাসে একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা ও স্বাধীন মতপ্রকাশের অন্তরায়।

বিবৃতিতে ট্রাস্টের নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে দৈনিক সংগ্রামের অফিসে হামলাকারীদের বিচার ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা হলেন- সংগঠনটির চেয়ারম্যান সরদার হাসান ইলিয়াছ তানিম, প্রফেসর ড. ইমতিয়াজ ফারুক, ড. হাসিব বুলবুল, প্রফেসর ড. আবু তৈয়্যেব, প্রফেসর ড. আ.ন.ম তারেক সামসুজ্জামান, প্রফেসর ড. তানভীর সিদ্দীকী, প্রফেসর ড. রওশন জামান, প্রফেসর ড. মুনতাসির শিবলী, প্রফেসর ড. আছাদুল ইসলাম, প্রফেসর ড. গোলাম মোর্শেদ, প্রফেসর ড. সাওরা বেগম শায়লা, প্রফেসর ড. আশরাফ খাঁন চৌধূরী, প্রফেসর ড. আ.হ.ম মাহমুদ, প্রফেসর মনিরুল ইসলাম, প্রফেসর অহিদুজ্জামান, প্রফেসর বজলুর রহমান প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধায় রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়।

মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত জামায়াত নেতা আব্দুল কাদের মোল্লাকে ‘শহীদ’ উল্লেখ করে সংবাদ প্রকাশ করার প্রতিবাদে তারা সংগ্রাম অফিসে ভাংচুর চালায়। একইসাথে পত্রিকার সম্পাদক আবুল আসাদকে ক্ষমা চাওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয়। পরে হাতিরঝিল থানা পুলিশ তাদের কাছ থেকে আবুল আসাদকে নিয়ে থানায় নিয়ে যান। সেখানে তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলা দেওয়া হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

এমবি