কুয়াকাটা পৌর নির্বাচনে নির্বাচনী প্রচারনায় বাঁধা প্রদান করার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জাপা (এরশাদ) মনোনিত পৌর মেয়র প্রার্থী মোঃ আনোয়ার হাওলাদার।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টার দিকে কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে সংবাদসম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কুয়াকাটা পৌর সভায় প্রথমবারেরমত নির্বাচন। এই নির্বাচনে আমি জাতীয় পার্টি (এরশাদ) থেকে পৌর মেয়র পদে প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছি।

আমি ও আমার সমর্থকদের নিয়ে ০৯ ডিসেম্বর ১১ টার দিকে ৪নং ওয়ার্ডের জনগণের সাথে দেখা সাক্ষাৎ ও সালাম বিনিময় করি। সেখানে ক্ষমতাসীন দল আ’লীগ মনোনিত প্রাথী আঃ বারেক মোল্লার ছেলে মাসুদ মোল্লা ও পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মজিবুর রহমান কতিপয় বহিরাগত সন্ত্রাসীদের নিয়ে আমাদেরকে অকথ্য ভাষায় গাল মন্দ করে। এবং  এই বলে হুমকীদেয় যে, আমার মটর সাইকেলটি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিবে এমনকি আমাদের হাত পা ভেঙ্গে দিবে।

তিনি বলেন, এর পর থেকে আমি ও আমার কোন নেতা কর্মী নির্বাচনী প্রচারে মাঠে নামতে পারবনা। তাহলে তারা আমাদেরকে প্রতিহত করতে যা করার প্রয়োজন তাই করবে। জাপা প্রার্থী তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আ’লীগ মনোনিত প্রার্থী আঃ বারেক মোল্লার ছেলে মাসুদ মোল্লা তার সন্ত্রাসী বাহিনীদের নিয়ে এ বলেও হুমকী দেয় যে, আমরা যেখানে মাহবুবুর রহমান এমপির সাথে যুদ্ধে নেমেছি সে খানে তোমরাতো কিছুই না।

তিনি অভিযোগ এনে বলেন, ১৩ তারিখের পরে আ’লীগ প্রার্থীর কর্মী-সমর্থক ছাড়া অন্য কোন লোক মাঠে থাকতে পারবেনা যারা থাকবে তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা দিয়ে এলাকা ছাড়া করা হবে। এমনকী ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে ভোট কেটে নেয়া হবে অন্য প্রার্থীর সমর্থকদের ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার দরকার নাই।

তাই তিনি সুষ্ঠ অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য এহেন কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনায় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন।

এ ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলনে অভিযুক্ত আ’লীগ মনোনিত প্রার্থী আঃ বারেক মোল্লার ছেলে মাসুদ মোল্লার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, যার অভিযোগ দিয়েছে তারা মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে ৯ ডিসেম্বর জাপা প্রার্থী আনোয়ার হাওলাদারের সাথে দেখা হয়েছে কথা হয়েছে কুশাল বিনিময় ছাড়া আপত্তিকর কোন কিছুই হয়নী।

এ ব্যাপারে আ’লীগ প্রার্থী আঃ বারেক মোল্লা বলেন, আমার ছেলে তথা আমার কোন সমর্থক যদি কোন প্রার্থীর প্রচারনায় বাঁধা দিয়ে থাকে তাহলে আমি এর বিচার করব। আর যদি কোন কিছুর প্রমাণ পাওয়া না যায় তাহলে যিনি অভিযোগ করেছেন তার বিচার করবে কে ?

কলাপাড়া থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি সেক্ষেত্রে সুষ্ঠ নির্বাচন তথা আইন শৃঙখলা রক্ষার্থে এ ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিচ্ছি।

এমএ