মাগুরা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর সুমনসহ ৩ কর্মীকে চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেফতার করেছে মাগুরা থানার পুলিশ। তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আদালত তাদের মাগুরা কারাগারে পাঠিয়েছেন। সোমবার তাদের গ্রেফতার করা হয়।
মাগুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, মাগুরা সদর হাসপাতাল ২৫০ শয্যায় উন্নীত করে বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য সরকার ২১ কোটি টাকা বরাদ্দ করে।
ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করা হলে ১২ ডিসেম্বর ঐ নির্মাণ কাজের ঠিকাদার আশরাফ হোসেন খান নির্মাণ কাজ দেখতে যান। দেখতে গেলে মাগুরা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর সুমনের নেতৃত্বে রণি, তানিন, ও তুষার নামের ছাত্রলীগ কর্মী সেখানে গিয়ে ঠিকাদার আশরাফ হোসেন খানের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
তারা অস্ত্রের ভয় ভীতি দেখিয়ে ঠিকাদারের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা আদায় করেন। এ ঘটনার পরে ঠিকাদার মাগুরা থানায় তাদের নামে চাঁদাবাজি মামলা করেন। তাদের নামে মাগুরা থানায় একাধিক চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে।
পরে মাগুরা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারাহ মাহমুদ আসামিদের জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এমকে





