সারা দেশে একযোগে ১৩১টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও নয়টি পৌরসভাসহ চট্টগ্রাম ও খুলনা সিটি করপোরেশনের দুটি ওয়ার্ড এবং একটি উপজেলায় আজ বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।

সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। একটানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট নেওয়া হবে।

ভোটগ্রহণ উপলক্ষে এসব এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য নিয়োগসহ ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি থাকবে। নির্বাচনী এলাকার ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ও আনন্দমুখর পরিবেশে ভোটপ্রদান করতে পারেন সে জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ইসির যুগ্ম সচিব এস এম আসাদুজ্জামান জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে একজন অফিসারসহ তিনজন পুলিশ, অস্ত্রসহ চারজন আনসার এবং অঙ্গীভূত আনসার-ভিডিপি সদস্য ১৩ জনসহ সর্বমোট ২০ জন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন থাকবে। প্রতি ইউনিয়নে পুলিশ, এপিবিএন, ব্যাটালিয়ন আনসারের দুটি করে মোবাইল টিম, বিজিবি এক প্লাটুন ও র‌্যাবের দুটি করে টিম মোতায়েন থাকবে।

এ ছাড়া পটুয়াখালী, বরগুনা ও সন্দ্বীপের জন্য এক প্লাটুন কোস্ট গার্ড সদস্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত থাকবে। ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৭৬ জন নির্বাহী হাকিম নিয়োগ করা হয়েছে।

কমিশন সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার ৪৭টি ইউপিতে সাধারণ, ৮৪ ইউপির ৯০ পদে উপনির্বাচন, চারটি পৌরসভায় সাধারণ, একটি পৌরসভায় মেয়র পদে ও চারটিতে সাধারণ কাউন্সিলর পদে উপনির্বাচন, চট্টগ্রাম ও খুলনা সিটি করপোরেশনের দুটি ওয়ার্ডে উপনির্বাচন ও একটি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

গতকাল মধ্যরাত থেকে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত বাস, ইজিবাইক, ট্রাক, অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, বেবিট্যাক্সি, কার, ট্যাক্সিক্যাব, জিপ, পিকআপ, টেম্পো ইত্যাদি যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

সেই সঙ্গে ভোটগ্রহণের আগের তিনদিন থেকে ভোটগ্রহণের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। তবে জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন চলাচল নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

এছাড়া আজ দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ভোট গ্রহণের দিন দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত লঞ্চ, ইঞ্জিনচালিত সব ধরনের নৌযান ও স্পিটবোট চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে জনগণ বা ভোটারদের চলাচলের জন্য ক্ষুদ্র নৌযান চলাচল নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

জেড