ময়মনসিংহে স্ত্রী পাপিয়া আক্তারকে হত্যার দায়ে স্বামী মনিরুজ্জামানকে ফাঁসি ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের জেলা ও দায়রা জজ বিচারক মো. হেলাল উদ্দিন এ আদেশ দেন।
জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার বাসিন্দা আনন্দমোহন কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী পাপিয়া আক্তারের সঙ্গে একই উপজেলার মনিরুজ্জামান ওরফে সেলিমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বামী তার চাকরির জন্য দুই লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে।
টাকা না দেওয়ায় তাকে নানাভাবে নির্যাতন করত। নির্যাতনের এক পর্যায়ে পাপিয়াকে হত্যা করে স্বামী। পুলিশ খবর পেয়ে আসামি মনিরুজ্জামানের ব্যবহৃত রক্তমাখা জিন্সের শার্ট ও খেজুর পাতার পাটি উদ্ধার করে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা, ডাক্তারসহ ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মনিরুজ্জামানকে ফাঁসি ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অপর আসামি নজরুল ইসলামকে খালাস দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপক্ষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিশেষ পিপি মো. কবির উদ্দিন ভূইয়া, বাদী পক্ষে অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম চুন্নু, আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট বাবু বিশ্বনাথ পাল ও বাবু সনজীব কুমার সরকার মামলা পরিচালনা করেন।
এমএনজে





