সংবিধানের প্রতি সম্মান দেখিয়ে দুর্গাপূজায় তিন দিনের সরকারী ছুটি ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোট নেতৃবৃন্দ।

আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে দুর্গাপূজায় ৩ দিনের সরকারী ছুটির দাবীতে এক মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতৃবৃন্দ এ দাবি জানান।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, দুর্গাপূজায় এক দিনের ছুটি; সেটাও আবার পূজা শেষে প্রতিমা বির্ষজনের দিন নির্ধারিত থাকায় হিন্দু সম্প্রদায় সে সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। ফলে এক ধরনের মানসিক অবসাদ নিয়েই হিন্দু সদস্যদের জীবন কাটাতে হয়। সরকার নিজেদেরকে অসাম্প্রদায়িক ঘোষণা করে সকল ধর্মের মানুষ সমান সুযোগ লাভের অধিকারী মর্মে সংবিধানে সন্নিবেশিত করেছে। কিন্তু সে অধিকার সংবিধানের পাতাতেই সীমাবদ্ধ। এদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সে অধিকার হতে বঞ্চিত। হিন্দু সম্প্রদায়ের এ দাবীটি আজ গণদাবীতে পরিণত হয়েছে। সব ধর্মের সহৃদয়বান মানুষ হিন্দু সম্প্রদায়ের এ দাবীটি সমর্থন করে।

তারা বলেন, দুর্গাপূজা হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। ৫ দিন ধরে চলা এ দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করেই হিন্দু সম্প্রদায় পরিবার-পরিজনের সাথে মিলিত হয়। কর্মসূত্রে পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থেকে চাকরিজীবী, ছাত্র-ছাত্রী, ব্যবসায়ীরা তাদের পিতা-মাতা, সন্তান, দাদু-দিদিমা পরস্পর পরস্পরের সাথে মিলিত হবার জন্য এই দিনগুলির জন্য অপেক্ষা করে। এই সময়ে পরিবারের সব সদস্য একত্র মিলিত হয়ে উৎসব পালন, পরিবার, আত্মীয় স্বজন ও প্রতিবেশী বয়োঃজ্যেষ্ঠদের প্রতি শ্রদ্ধা ভক্তি ও প্রণাম এবং অনুজদের প্রতি স্নেহাশীষ বর্ষণের রীতি রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সৌহার্দ্যমূলক সম্পর্ক বৃদ্ধি, দ্বন্দ্ব-সংঘাত নিরসন, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের সাথে সম্পর্কোন্নয়নে এ উৎসব এক বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে।

হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী সভাপতি অ্যাড. দীনবন্ধু রায়ের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শঙ্করানন্দ পুরী গুরু মহারাজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি ড. সোনালী রাণী দাস, ড. অচিন্ত কুমার মন্ডল, মানিক চন্দ্র সরকার, ডা: এম. কে রায়, সুভাষ সাহা, প্রধান সমন্বয়কারী বিজয় কৃষ্ণ ভট্টাচার্য, সুবীর সাহা, মহাসচিব অ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব উত্তম কুমার দাস, সোমেন সাহা, সাংগঠণিক সম্পাদক কপিল কৃষ্ণ মন্ডল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক প্রতীভা বাকচী, আর্ন্তজাতিক সম্পাদক রিপন দে, যুব বিষয়ক সম্পাদক সমীরন বড়াল, ঢাকা উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মণিশঙ্কর হালদার, মিঠু রঞ্জন দে কিশোর কুমার বর্মন, হিন্দু যুব মহাজোটের সভাপতি সুমন কুমার রায়, নির্বাহী সভাপতি দেবাশীষ সাহা, সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বসু, বিজন সানা, অ্যাড. উজ্জল কুমার জয়ধর, অপু মিত্র, ছাত্র মহাজোটের সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত হালদার, সাংগঠণিক সম্পাদক সাজেন কৃষ্ণ বল, প্রশান্ত হালদার, মোহন লাল প্রমুখ।

এসএ