দিনাজপুরে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে ভুট্টা ক্ষেতে হাত-পা-মুখ বেঁধে গণধর্ষণ করেছে চার ধর্ষক।

বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী অভিযুক্ত দুই ধর্ষককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করলে পুলিশ তাদের ছেড়ে দেয়। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এ নিয়ে ব্যাপক তোলপার শুরু হয়। ঘটনার দুদিন পর অভিযুক্ত আরেক ধর্ষককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

রোববার কিশোরীর মায়ের কাছ থেকে জানা যায়, শহরের সুইহারী খালপাড়া এলাকার হযরত আলীর ছেলে রেজাউল ইসলাম ওরফে রাব্বি (২৩), আমিনুল ইসলামের ছেলে রনিসহ (২১), অজ্ঞাত আরও দুজন একই এলাকার ওই কিশোরীকে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে জোরপূর্বক বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়।

তারা কিশোরীকে পার্শ্ববর্তী ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে হাত-পা-মুখ বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ফেলে রাখে চলে যায়।

তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন টের পেয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে। ধর্ষণের ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত ধর্ষক রাব্বি ও রনিকে ধরে ফেলে।

পরে স্থানীয় কাউন্সিলর আবদুল হানিফ দিলনের উপস্থিতিতে সদর পুলিশ ফাঁড়ির হাবিলদার রাজ্জাকের হাতে সোপর্দ করা হয়। কিন্তু কাউন্সিলরের উপস্থিতিতে হাবিলদার রাজ্জাক স্থানীয়ভাবে বিচারের আশ্বাস দিয়ে ধর্ষকদের ছেড়ে দেয়।

ওই কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে শনিবার সকালে তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তির পর কিশোরীর মা বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করেছেন।

ঘটনা বেগতিক দেখে পুলিশ নিজেদের রক্ষা করতে মামলা গ্রহণের পরই ধর্ষক রাব্বিকে গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় এখন ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এসএইচ