ঝিনাইদহে শিবিরের নেতাকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশের অস্বীকার ও আদালতে হাজির না করায় শিবিরের উদ্বেগ।

গত ১৮.০৩.১৬ তারিখ জুম্মার নামাজ পড়ে বাসায় ফেরার পথে সাদা পোষাকে পুলিশ যশোর এমএম কলেজের ছাত্র ও ছাত্রশিবির কালিগঞ্জ পৌরসভার সভাপতি আবুজর গিফারি কে আটকের পর অস্বীকার ও  এখনো পর্যন্ত তাকে আদালতে হাজির না করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ছাত্রশিবির।

এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান ও সেক্রেটারী জেনারেল ইয়াছিন আরাফাত বলেন, নিরপরাধ ছাত্রদের অন্যায় ভাবে গ্রেপ্তার করে অস্বীকার করা পুলিশের নিত্য দিনের কাজে পরিণত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে বাড়ি যাওয়ার পথে জামতলা মোড় থেকে দু’টি মটরসাইকেল যোগে ৪ জন ব্যক্তি পুলিশ পরিচয়ে তার পথরোধ করে। এরপর তাকে মটরসাইকেলে তুলে গান্না সড়কের দিকে চলে যায়। পরে তার পরিবার  এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন তাকে গ্রেপ্তারের কথা অস্বীকার করে।  প্রকাশ্যে দিবালোকে অনেকের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশের তথ্য দিতে অস্বীকার ও আদালতে হাজির না করা নিয়ে নানা আশঙ্কার জন্ম হয়েছে। কাউকে গ্রেপ্তার করে অস্বীকার করা বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের সরাসরি লঙ্ঘন । কিন্তু আইনের রক্ষক হয়েও প্রতিনিয়ত পুলিশ বার বার এমন বেআইনি কাজ করছে।

শিবির নেৃতৃবন্দ আরও বলেন, প্রায় প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বার বার এমন বেআইনি কাণ্ড ঘটিয়ে যাচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষ তাদের সন্তানদের নিয়ে নিদারুন শঙ্কার মধ্যে আছে। বার এমন ঘটনা একটি বিশেষ গোষ্ঠির ইশারায় ঘটছে বলে দেশবাসী মনে করে। এই বেআইনি কায়দায় ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন স্থানে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী কথিত বন্দুক যুদ্ধসহ নানা কায়দায় নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করছে। যা আমাদের উদ্ধেগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সংগত কারণেই তাদের পরিবারের সাথে সাথে আমরাও গ্রেপ্তারকৃতদের জীবন নিয়ে শঙ্কিত।

আইনি-প্রক্রিয়ায় জোর দিয়ে যৌথ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অবিলম্বে আমরা গ্রেপ্তারকৃতদের অবস্থান নিশ্চিত ও মুক্তি দিতে আইনি প্রক্রিয়া অনুস্বরণ করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

 

এমআইএস।