ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দু’গ্রপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ১জন নিহত ও ১০জন আহত হয়েছে।
উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের দেওয়ানপুর গ্রামের চৌমুহনী এলাকায় সোমবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, আওয়ামী লীগের নূরে আলম গ্রুপ একই দলের হাফেজ গ্রুপের মান্নানের বাড়ি ঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেছে। এসময় আব্দুল মান্নান (৬০) কে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া অন্তত আরো ১০ জন আহত হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, তজুমদ্দিন উপজেলার চৌমুহনী এলাকার আওয়ামী লীগ কর্মী নুরে আলম গ্রুপ ও আওয়ামী লীগ কর্মী হাফেজ গ্রুপের মধ্যে পূর্ব শত্রুতা, স্থানীয় চৌমোহনী লঞ্চ ঘাট ও মেঘনায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কিছু দিন ধরে উত্তেজনা চলে আসছিলো।
এক পর্যায়ে সোমবার দুপুরে চৌমোহনী এলকায় নূরে আলম গ্রুপ দলবল সহ লাঠিসোটা নিয়ে হাফেজ সমর্থক আবদুল মান্ননের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ঘরবাড়ি ভাংচুর করে।
এ সময় হাফেজ গ্রুপের আব্দুল মন্নান (৭০), শফিক (২৩), রবিউল (৫৫), নুরনবী (২৫) ও ছালেহা বেগম (৫০) সহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।
এদের মধ্যে গুরুতর ৪ জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে মান্নানকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন।
তিনি ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের দেওয়ানপুর গ্রামের শাহাবুদ্দিন গাইনের ছেলে। এ ব্যপারে তজুমদ্দিন উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাবেক সম্পাদক অহিদুল্লাহ জসিম জানান, নুরে আলম ও হাফেজ দুই জনই বন্ধু ছিলো। তারা আওয়ামী লীগের সমর্থক।
কিছু দিন পূর্বে চায়ের দোকানে কথাকাটাকা নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে হাতাহাতি হয়। সেই থেকে বিরোধ চলে আসছে।
তজুমদ্দিন থানার ওসি হুমায়ুন কবির মান্নান নিহত হওয়ার কথা নিশ্চিত করে বলেন, তারা ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। দুপুরে এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যহত রয়েছে ।
এমকে





