ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ককে যানজটমুক্ত রাখতে ও স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ ও পূজায় ঘরমুখো মানুষকে বাড়ি যেতে মহাসড়কের ৪২টি পয়েন্টে দুই শিফটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৭৫৪ সদস্য কাজ করছেন।

এর মধ্যে ১০ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পুলিশ সুপার, ১৬ জন পরিদর্শক, ৪৫ জন উপ-পরিদর্শক মহাসড়কে সার্বক্ষণিক অবস্থান করছেন। সঙ্গে ৪৮২ পুলিশ ও ১০০ আনসার সদস্য যানজট নিরসনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

ঢাকা-ময়নসিংহ মহাসড়ককে দুটি সেক্টর ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ককে একটি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে।

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে টঙ্গীব্রিজ থেকে শ্রীপুরের জৈনাবাজার পর্যন্ত ও টঙ্গী ফ্লাইওভার থেকে মীরেরবাজার পর্যন্ত ১৪টি পয়েন্টে এবং ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের জয়দেবপুরের ভোগড়া বাইপাস মোড় থেকে কালিয়াকৈরের চন্দ্রা হয়ে সূত্রাপুর বোর্ডঘর স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল কারখানা পর্যন্ত ৩০টি পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যানজট নিরসনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনটি সেক্টরে ২৪টি মোটরসাইকেল মোবাইল ডিউটি অব্যাহত রয়েছে। তবে উত্তরবঙ্গের ১১৭ রোডের চলাচলকারী ও ঢাকা- গেটওয়ে চন্দ্রা ত্রিমোড়কে বেশ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এখানে চারজন সহকারী পুলিশ সুপার চন্দ্রার অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পে অবস্থান করে যানজট নিরসনে তদারকি করছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরায় রাতে যানজট থাকলেও দিনে খুব একটা যানজট হচ্ছে না। তবে, দিনে যানবাহনে ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে।

কালিয়াকৈর থানার ডিউটি অফিসার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মুনজিয়া আক্তার তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন।

কেএইচ