নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুল ছাত্রী সাদিয়া আক্তার।

সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হওয়ার দুই সপ্তাহ পার হলেও তার শারীরিক অবস্থার তেমন কোন উন্নতি হয়নি। অর্থের অভাবে আহত স্কুল ছাত্রী সাদিয়ার চিকিৎসা করতে হিমশিম খাচ্ছে অসহায় দরিদ্র পরিবার।

সমাজের বিত্তবান লোকদের এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন আহত স্কুল ছাত্রীর সাদিয়ার বাবা মিন্টু কাজী। স্কুল ছাত্রী সাদিয়াকে চাপা দেওয়ার ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় একটি মামলা হয়েছে।

পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, সাদিয়া বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নিবির পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ২৩নং বেডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। দূর্ঘটনায় তার লিভার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার বাবা মিন্টু কাজী।

ফলে লিভারসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে অস্ত্রপচার করতে হয়েছে। তার মুখের দুই চোয়ালের হাড় ও থুতুনির হাড় ভেঙ্গে গেছে যা সারানোর জন্য তার মুখের মধ্যেও অস্ত্রপচার করতে হবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

এছাড়া সাদিয়ার ডান হাত ঘাড়ের নিচ থেকে ভেঙে গেছে। সাদিয়ার গলা, গাড়, থুতুনি, গাল, হাত ও পায়েও গুরুতর জখম রয়েছে। বর্তমানে তার লাঞ্চে পানি জমার কারণে প্রায়ই বমি করছে সাদিয়া।

সাদিয়ার বাবা মিন্টু কাজী জানান, কাঁচপুর এলাকার হাজী আব্দুর রহমান মেম্বারের কেয়ারটেকার হিসেবে চাকুরি করেন। তার নিজের জমানো ও তাৎক্ষনিক স্থানীয়দের দেওয়া অর্থে এক সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও এখন অর্থের অভাবে সঠিকভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না তিনি।

তিনি সাদিয়ার চিকিৎসার জন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষের থেকে সহযোগীতা কামনা করে। পাশাপাশি কেউ আর্থিকভাবে দূর থেকে সহযোগিতা করতে চাইলে তিনি তার ব্যাংক একাউন্ট নাম্বারটিও লিখে দেন।

তার হিসাব নং ০০৭৭০৩১০০০০৩০৬, যমুনা ব্যাংক কাঁচপুর শাখা, সোনারগাঁ। স্কুল ছাত্রী সাদিয়ার বাবা মোঃ মিন্টু কাজীর একটি বিকাশ নাম্বারও রয়েছে- ০১৯৬০৬৭১৩৩০।

জেড