ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির আওতায় আরো ১৭ উপজেলায় যুব প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হয়েছে। আগামী জানুয়ারি থেকে এসব উপজেলার যুবকদের এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু হবে।
সোমবার ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি সম্প্রসারণে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের এ প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ন্যাশনাল সার্ভিসের এ কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের ১৭টি জেলার ১৭টি উপজেলার ৪২ হাজার ৫০০ জন বেকার যুবক ও নারী প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রভার্টি ম্যাপ অনুসরণ করে দারিদ্র্যের তীব্রতা অনুযায়ী তৃতীয় পর্যায়ে এ জেলাগুলো নির্বাচিত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ পর্যায়ে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ, শরীয়তপুরের গোসাইরহাট, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ, ময়মনসিংহের নান্দাইল, পিরোজপুরের কাউখালী, চাঁদপুরের হাইমচর, শেরপুর সদর, সাতক্ষীরার শ্যামনগর, ঝালকাঠির নলছিটি, মাগুরার মোহাম্মদপুর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ, বাগেরহাটের চিতলমারী, সিরাজগঞ্জ চৌহালী, বান্দরবানের থানচি, নাটারের সিংড়া, খুলনার তেরখাদা ও কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের যুবক ও নারীরা প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন।
ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির আওতায় সরকার যুবক ও নারীদের ৩ মাসের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। প্রশিক্ষণ শেষে বাস্তব দক্ষতা অর্জনের জন্য তাদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অস্থায়ী ভিত্তিতে দুই বছরের জন্য কাজে নিয়োগ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণকালে ১০০ টাকা ও অস্থায়ী কাজের সময় ২০০ টাকা করে দৈনিক ভাতা দেওয়া হয়।
এ কর্মসূচির আওতায় প্রথম পর্যায়ে ৩ জেলার ১৯টি উপজেলার ৫৬ হাজার ৮০১ জন, দ্বিতীয় পর্যায়ে ৮ উপজেলায় ১৪ হাজার ৪৬৭ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
আগে ১৮ বছর থেকে ৩৫ বছরের এসএসসি বা তার সমমান পাস করা যুবক ও নারীরা এ কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষন নিতে পারতেন। পরে এ বিধানটিকে সংশোধন করা হয়। এখন থেকে ২৪ বছর থেকে ৩৫ বছর বয়স সীমায় এইচএসসি বা তার সমমান পাস করা যুবক ও নারীরা প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন।
এএইচ





