মহান স্বাধীনতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ইউকে চিং। কিন্তু এই মহান মুক্তিযোদ্ধা এ পৃথিবীতে আর নেই। উপজাতিদের মধ্যে তিনিই একমাত্র বীর বিক্রম খেতাবধারী মুক্তিযোদ্ধা।
আজ শুক্রবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পার্বত্য চট্টগ্রামের খ্যাতিমান এই মুক্তিযোদ্ধা মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।
গত বুধবার ব্রেইন স্ট্রোক করলে তাকে বান্দরবান সদর হাসপাতাল থেকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মুক্তিযোদ্ধা ইউ কে চিং-এর দুই পুত্র এক সন্তান রয়েছে। তিনি বেশ কিছুদিন ধরে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন। তার মৃত্যুতে বান্দরবানের সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে আসে।
ইউ কে চিং-এর পরিবারের সদস্যরা জানান, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে লাশ নিয়ে আসার পর দুপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বান্দরবানের কেন্দ্রীয় শ্মশানে দাহ করা হবে।
মুক্তিযোদ্ধা ইউ কে চিং পুরো নাম উক্যচিং মার্মা। ১৯৩৩ সালে বান্দরবান শহরের উজানী পাড়ায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫২ সালে তিনি ইপিআরে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামে এই মহান মুক্তিযোদ্ধা রংপুর জেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
রণাঙ্গনে তার সাহসীপূর্ণ ভুমিকায় তাকে বীর বিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার সম্মানে বান্দরবান শহরে ইউ কে চিং সড়ক রয়েছে। এছাড়া শহরের কাছে নীলাচল পর্যটন কেন্দ্রে একটি আবক্ষ ভাস্কর্য রয়েছে। ইউ কে চিং এর সম্মানে বান্দরবানে সম্প্রতি মেধা বৃত্তিও চালু করা হয়েছে।
ঢাকা, ২৫ জুলাই, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএইচ





