টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্রে ভেঙে ফেলা সমবায় সুপার মাকের্টের স্থানে অস্থায়ীভাবে গড়ে তোলা দোকান ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ভেঙে ফেলার আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।  

মঙ্গলবার বিচারপতি নাজমা হায়দার ও  ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এর সচিব, মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, সমবায় বিভাগের রেজিস্টার ও মহাপরিচালক, সমবায় বিভাগীয় অফিসের যুগ্ম রেজিস্টার, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার ও টাঙ্গাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকে এই আদেশ বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদেশে বলা হয়, সমবায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান কুদরত-ই-এলাহি খান গত ৯ মে, ২০১৫ তারিখে ভেঙে ফেলা ঝুঁকিপূর্ণ সমবায় সুপার মাকের্টের ভবনের জমিতে আধুনিক শপিং কমপ্লেক্স নির্মানের জন্য সংবিধানের ১০২ ধারা মোতাবেক একটি রিট দায়ের করেন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি সমবায় অধিদপ্তরের যুগ্ম নিবন্ধকের দেওয়া ৪৮৩ (২) আদেশের এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এই রিট করা হয়। ওই রিটের পরিপেক্ষিতে মঙ্গলবার  শুনানি  শেষে আগামী তিনদিনের মধ্যে ভবনের স্থানে তোলা ‘অবৈধ’ দোকান ভেঙ ফেলার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল সমবায় ব্যাংক লিমিটেড-এর নিজস্ব প্রায় ৫০ শতাংশ ভূমির ওপর ১৯৮২ সালে চারতলা ফাউন্ডেশন দিয়ে দোতলা মার্কেট ও ব্যাংক ভবন নির্মাণ করে। পরবর্তী সময়ে টাঙ্গাইল পৌরসভা সমবায় সুপার মার্কেট ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করলে, সমবায় ব্যাংক লিমিটেড কর্তৃপক্ষ পুরাতন মার্কেটটি ভেঙে চারতলার পরিবর্তে ১০ তলা ভবন করার সিদ্ধান্ত নেয়। ২০১৩ সালের ১ ডিসেম্বর মার্কেটের সকল দোকান মালিকদের নোটিশ দিয়ে দোকানের মালামাল সরিয়ে দখল ছাড়ার নির্দেশ দেয় সমবায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। পরে ব্যবসায়ীরা আন্দোলন করে মার্কেটের ফাঁকা জায়গায় টিনের ও পলিথিনের বেড়া দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন।

জেআই