জামালপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামসহ সারাদেশের বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হয়েছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তরা তাদের ঘরবাড়ি মেরামত শুরু করেছে। ইতোমধ্যে সরকারি ভাবে কৃষি পুনর্বাসন কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।
গাইবান্ধা জেলার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ডায়রিয়া, আমাশয়, চর্মরোগ ও চোখের অসুখসহ পানিবাহিত রোগ দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় গাইবান্ধা জেলায় পর্যাপ্ত ওষুধসহ ৫০টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলায় কৃষকদের মধ্যে আমন ধানের চারা বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া বিনামূল্যে চিকিৎসা, গবাদিপশুর ভ্যাকসিন প্রদান ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।
জামালপুরের বাহাদুরাবাদঘাট পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি হ্রাস অব্যাহত থাকায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. শাহাবউদ্দিন খান জানান, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর জনগণ তাদের ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি মেরামত ও সংস্কার করতে শুরু করেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, বন্যা পরবর্তী কর্মসূচির আওতায় কৃষি বিভাগ জেলার ইসলামপুর উপজেলার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ কৃষকের মাঝে রোপা আমনের (টি-আমন) বিতরণ করেছে। এছাড়া আসন্ন রবি মৌসুমে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হবে।
গাইবান্ধায় বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ডায়রিয়া, আমাশয়, চর্মরোগ ও চোখের অসুখসহ পানিবাহিত রোগ দেখা দিয়েছে।
জেলা সিভিল সার্জন আহাদ আলী বন্যাকবলিত এলাকায় পানিবাহিত রোগের কথা স্বীকার করে বলেন, আজ পর্যন্ত জেলায় কোথাও এই রোগ ব্যাপক আকার ধারণ করেনি।
তিনি বলেন, পর্যাপ্ত ওষুধসহ জেলায় পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য ৫০টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে ত্রাণ তৎপরতার পাশাপাশি বিনামূল্যে চিকিৎসা, গবাদিপশুর ভ্যাকসিন প্রদান ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহসহ বন্যা পরবর্তী নানা কার্যক্রম চলছে।
ঢাকা, ১৩ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসআর





