নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীতে বেলুন ফুলাতে গিয়ে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে গ্যাস বেলুন বিক্রেতাসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছে।
সোমবার দুপুর ১২টার দিকে জেলা শহর মাইজদী সরকারী আবাসিক এলাকা সংলগ্ন ফ্ল্যাট রোড়ে সুরমা আবাসিক বোডিং ভিতরে বেলুনে গ্যাস দিতে গিয়ে গ্যাসের সিলিন্ডার বিষ্ফোরণে দূর্ঘটনার ঘটনা ঘটে।
দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী আব্দুল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে দুই জনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
আহতরা হলো- চাঁদপুর জেলার গোবিন্দপুর গ্রামের ফজল খানের ছেলে আব্দুল মালেক (৪০), নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার ঘাটলাবাদ এলাকার শীত চন্দ্র দাসের ছেলে রঞ্জিত দাস (৪৫) ও হাতিয়া উপজেলার মৃত মোকলেছুর রহমানের ছেলে আনাজুল হক (৫০)।
আহতরা নোয়াখালী আব্দুল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
পুলিশও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, জেলা শহর মাইজদীতে অনুষ্ঠিত বিজয় মেলায় চাঁদপুর থেকে বেলুন ব্যবসায়ী আব্দুল মালেক বেলুন বিক্রি করতে আসে।
দুপুরে শহরের সুরমা বোডিংয়ে আব্দুল মালেক বেলুনে ভিতর গ্যাস দিয়ে বেলুন ফুলানোর সময় হঠাৎ করে গ্যাসের সিলিন্ডারটি বিষ্ফোরিত হলে আব্দুল মালেকের ডান পায়ের হাঁটু পর্যন্ত উড়ে যায়।
এসময় তার পাশে থাকা রঞ্জিত এবং আনাজুল গুরুত্বর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুত্বর আহত অবস্থায় তিন জনকে দ্রুত উদ্ধার করে নোয়াখালী আব্দুল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।এর মধ্যে আব্দুল মালেকের পা উড়ে যায় এবং রঞ্জিতের শরীরের বুকসহ উপরের অংশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
নোয়াখালী আব্দুল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফরিদ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সিলিন্ডার বিষ্ফোরণে আহতদের সবার শরীরের বিভিন্ন অংশ ক্ষত হয়েছে।
এর মধ্যে আব্দুল মালেক ও রঞ্জিতের অবস্থা আশংকাজনক তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করা হয়েছে। আনাজুলের চিকিৎসা এই হাসপাতালেই হবে।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) নিজাম উদ্দিন গ্যাস সিলিন্ডার বিষ্ফোরণে ৩জন আহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এসএইচ





