একনায়কতন্ত্রী' দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম জড়িয়ে জার্মানির একটি বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত প্রতিবেদনের সমালোচনা করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
তিনি বলেছেন, দেশ আজ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় উন্নয়নশীলের ঘোষণা আমরা যেদিন পেলাম, ঠিক তার পরদিন এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলো। এ থেকে সহজেই বুঝা যায় যে, এটা ষড়যন্ত্রমূলক।
বাঙালি বীরের জাতি। ষড়যন্ত্র করে এ জাতির উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করা যাবে না।
রোববার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট অডিটরিয়ামে এলডিসি দেশ হতে বাংলাদেশের উত্তরণ উদযাপন উপলক্ষে ‘নৌপরিবহন সেক্টরে অর্জিত সাফল্য, চলমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
এ সময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব আব্দুস সামাদ।
তিনি বলেন, সরকারের এত উন্নয়নের পরও বিএনপি উন্নয়ন দেখে না। এলডিসিভুক্ত দেশ থেকে উত্তরণে আমরা উদযাপন করেছি। বিশ্বের সবাই এটার প্রশংসা করেছে। কিন্তু বিএনপি এটা নিয়েও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে।
বিএনপি উন্নয়ন দেখে না। বিএনপির নেতা মওদুদ আহমদ বলেন, তারা নাকি ক্ষমতায় থাকলে ১০ বছর আগেই এটা অর্জন করত। কিন্তু আমরা দেখেছি বিএনপির সময় দেশের উন্নয়ন কী হয়েছে। উন্নয়ন হয়েছে হাওয়া ভবনের।
নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, গত ৯ বছরে একটা করে স্থলবন্দর নির্মাণ করেছি। এই মেয়াদে ফেরির সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। আমরা ১৪টা ড্রেজিং সংগ্রহ করেছি আরও ২০টি করব। গত ৩৮ বছরে ২০টি ফেরি ছিল গত মেয়াদে ১৭টি ও এ মেয়াদে ১২টি ফেরি নতুনভাবে চালু করেছি।
অনুষ্ঠানে নদী পথের নাব্যতা রক্ষায় ড্রেজিং কার্যক্রমের অর্জিত সাফল্য, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং চ্যালেঞ্জগুলো, দেশের সমুদ্র বন্দর, নদীবন্দর, স্থল বন্দর ব্যবস্থাপনায় অর্জিত সাফল্য এবং চ্যালেঞ্চ, দেশের নৌপথ ও নৌযানের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার বিধি-বিধান এবং বিদেশে বাংলাদেশি নাবিকদের চাকরির সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এএস





