সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় তেলাবাহী ট্যাঙ্কলরি ও নসিমনের মধ্যে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮জনে পৌঁছেছে।
আজ মঙ্গলবার সকাল ছয়টার দিকে উপজেলার গাড়াদহ বাসস্ট্যান্ডের কাছে নগরবাড়ি-বগুড়া মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলে পাঁচজন নিহত হন। পরে হাসপাতালে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়।
ঘটনাস্থলে নিহত পাঁচজন হলেন নসিমনের যাত্রী অজুফা (৬০), অঞ্জনা (২৫), মকবেল (৪০), বন্যা (১০) ও নসিমনের চালক সোবাহান (৩৫)। শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন জালাল (৪০), রেনু মিয়া (৩৫) ও ফিরোজা (২৭)।
দুর্ঘটনায় ১০-১২ জন আহত হয়েছেন। তাঁরা শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। হতাহত ব্যক্তিরা সবাই নসিমনের যাত্রী বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্স (ইনচার্জ) আব্দুল লতিফ হাসপাতালে তিনজনের মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, নসিমনটি শাহজাদপুর থেকে উল্লাপাড়া রেলস্টেশনের দিকে যাচ্ছিল। তেলবাহী লরিটি বগুড়া থেকে বাঘাবাড়ির দিকে যাচ্ছিল। গাড়াদহ বাসস্ট্যান্ডের কাছে সংঘর্ষ হয়। এতে তেলবাহী লরিটি রাস্তার একপাশে পড়ে যায়।
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জিলানি ও ফায়ার ব্রিগেডের সহকারী পরিচালক নিজামউদ্দিন তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ওসি বলেন, লরিটির সামনের চাকা ফেটে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
জেলা প্রশাসক বিল্লাল হোসেন, পুলিশ সুপার মিরাজউদ্দিন আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম আহমেদ ও পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহত ব্যক্তিদের প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার খরচ বহন করবে জেলা প্রশাসন।
এমকে





