জাতীয় সংসদে পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধির তিনটি বিল উত্থাপনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে জনসংহতি সমিতি । এক বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়।
মঙ্গলবার বিকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মঙ্গল কুমার চাকমা সাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ, ২৯৯ পার্বত্য রাঙামাটি সংসদীয় আসনের এমপি ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ঊষাতন তালুকদারসহ পার্বত্যবাসীর প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে পাশ করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, শক্তিশালী ও গতিশীল পার্বত্য জেলা পরিষদ গঠন, পরিষদে সকল জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতকরণ, সর্বোপরি জনমুখী, জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত পার্বত্য জেলা পরিষদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ৩৪ সদস্য-বিশিষ্ট নির্বাচিত পূর্ণাঙ্গ পার্বত্য জেলা পরিষদের কোনো বিকল্প নেই।
অনির্বাচিত ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তী পার্বত্য জেলা পরিষদের আকার যতই বাড়ানো হোক না কেন তাতে করে কখনোই শক্তিশালী, গতিশীল ও জবাবদিহিমূলক পার্বত্য জেলা পরিষদ গড়ে উঠতে পারে না বা সকল জুম্ম জাতিগোষ্ঠীর প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা যেতে পারে না।
এমতাবস্থায় অন্তর্বর্তী পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য-সংখ্যা বৃদ্ধি করার উদ্দেশে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন সংশোধন না করে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা এবং এলক্ষ্যে পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নির্বাচন বিধিমালা ও ভোটার তালিকা বিধিমালা প্রণয়ন করার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি বার বার দাবি জানিয়ে আসছে।
তাই ১৭ নভেম্বর জাতীয় সংসদে উত্থাপিত বিল তিনটি প্রত্যাহার করে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার জন্য জনসংহতি সমিতি সরকারকে পুনরায় আহ্বান জানিয়েছে। অন্যথায় যে কোনো পরিস্থিতির জন্য সরকারই দায়ী থাকবে বলে জনসংহতি সমিতি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা করেছে।
এএইচ





