বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) দাবি পূরণের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে কাজে যোগ দিয়েছেন জ্বালানী তেলবাহী জাহাজ শ্রমিকরা।

সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে ত্রি-পক্ষীয় সিদ্ধান্তের পর শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছেন বলে জানান বাংলাদেশ লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নবী আলম।

তিনি জানান, জ্বালানী তেলবাহী ১৫০টি জাহাজ বন্ধের প্রতিবাদে রোববার মধ্যরাত থেকে লাগাতার কর্মবিরতি পালন করে জ্বালানী তেলবাহী জাহাজের শ্রমিকরা। জাহাজে কর্মরত তিন হাজার নৌ-শ্রমিক বেকার হয়ে যাওয়ায় সরকারের এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। সন্ধ্যায় বিপিসির এক সভায় ১৩ জানুয়ারি বিপিসির দেওয়া চিঠির আদেশ স্থগিত করে দাবি পূরণের আশ্বাস দিলে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে কাজে যোগ দেন শ্রমিকরা।

তিনি আরও জানান, এর আগে জ্বালানী তেলবাহী ১৫০টি জাহাজ বন্ধের সরকারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে শনিবার নৌমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে রবিবার পর্যন্ত সময় দিয়েছিলাম। কিন্তু এর মধ্যে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করায় রবিবার মধ্যরাত থেকে কর্মবিরতি শুরু করেন শ্রমিকরা।

গত বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি এক চিঠিতে ডিজি শিপিং কমডোর এম জাকিউর রহমান ভূঁইয়া বিপিসিকে জানিয়েছেন, ১৯৯৬ সালের ৬ জুলাইয়ের আগে নির্মিত ৬০০ টনের ডেডওয়েট ও এর উপরের তেলবাহী জাহাজ (এমএমডি) বলবৎ থাকা সাপেক্ষে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারবে। এরই মধ্যে বিপিসি ১৩ জানুয়ারি এক চিঠিতে ডাবল হাল ও ডাবল বটমের বাইরের জাহাজগুলোকে তেল পরিবহন থেকে বিরত রাখতে তাদের অধীন পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানিকে নির্দেশ দেয়।

জেআই