ভোলার মানচিত্র জুড়েই এখন শীতের আমেজ। এখন বইতে শুরু করেছে শৈত্যপ্রবাহ। ভোলার সর্বত্রই খেজুর গাছ কাটার ধুম পড়েছে।
খেজুর গাছ থেকে সুমিষ্ট রস সংগ্রহে জোর প্রস্তুতি চলছে গ্রামে গ্রামে। গাছ কাটা, গাছ চাছাসহ বিভিন্ন রকমের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে গাছিরা। ছোট বড় বিভিন্ন রকমের খেজুর গাছ ঝুঁকি চাছা-ছোলা করতে হয়। কোমরে মোটা রশি দিয়ে বেধে গাছে ঝুলে ঝুলে এ কাজ করতে হয়।
ভাদ্র-আশ্বিনের শুরুতে গাছ কাটা ও পরিচর্যা করার সঠিক সময়। তবে ভোলায় এবার বর্ষার স্থিতি বেশি হওয়ায় খেজুরগাছ কাটা দেরিতেই শুরু হয়েছে।
তবে ভোলায় আগের মতো খেজুর গাছ নেই। বিভিন্ন কারণে খেজুর গাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। গ্রামের লোকজন অভাবের তাড়নায় ইটভাটায় গাছগুলো দেদারসে বিক্রি করে দিচ্ছেন। আগের মতো মাঠ জুড়ে আর খেজুর গাছ দেখা যায় না।
এখানকার খেজুর রসের যে যশও যেন ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে। শীতের সকালে গ্লাস ভরে খেজুরের রস খাওয়ার মজাই আলাদা। বেশ লোভনীয় এখানকার খেজুর গুড় ও বাটালী। খেজুরের রস দিয়ে নানা উপকরণ তৈরির দিনও সমাগত। কদিন পরেই প্রতিটি ঘরে পায়েস তৈরি ধুম পড়বে।
ভোলার বিভিন্ন উপজেলার প্রায় কয়েক শতাধিক গাছি এ মৌসুমে তাদের আর্থিক সচ্ছলতা বাড়িয়ে নেয়। চাহিদা মিটিয়েও খেজুর রসের নানা উপকরণ বিক্রির অর্থে মজবুত করে নেয় নিজেদের অর্থনৈতিক ভিত্তি। শীত জেঁকে না বসলেও গাছিরা প্রাথমিক সকল প্রস্তুতিই সেরে নিচ্ছেন এখন।
জেআই





