দেশকে ১৯৪৭- এর পূর্বাবস্থায় নিয়ে যাওয়ার যড়যন্ত্র চলছে। আমরা আজ আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব নিয়ে শংকিত। আমাদের স্বাধীন জাতিসত্ত্বা আজ হুমকির মুখে। আমাদের ধর্ম-বিশ্বাস ও আমাদের স্বকীয় সংস্কৃতি ধ্বংস করার জন্য গভীর চক্রান্ত শুরু হয়েছে। জাতীয় শিক্ষনীতি ২০১০ ও শিক্ষা আইন ২০১৬ সেই ষড়যন্ত্রেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নেতৃবৃন্দ।

“আদর্শ নাগরিক আন্দোলন- Ideal Citizen Movement" -ঢাকা মহানগর [উত্তর ও দক্ষিণ]-এর যৌথ উদ্যোগে আজ রবিবার [২৯ মে’১৬ ইং], সকাল ১০ ঘটিকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে “ইসলাম বিরোধী শিক্ষানীতি বাতিল এবং বিতর্কিত পাঠ্যসূচি সংশোধনের দাবিতে নাগরিক মানববন্ধনের মানববন্ধনে জাতীয় নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, আত্মমর্যাদাশীল একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে বাংলাদেশের একটি জাতীয় শিক্ষানীতি অবশ্যই প্রয়োজন। সেই শিক্ষানীতি হতে হবে এ দেশের মানুষের নিজস্ব ঐতিহ্য, ধর্ম এবং সংস্কৃতির পটভূমিকে সামনে রেখে। কিন্তু অত্যন্ত আফসুসের সাথে বলতে হয়, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ইতিহাস ও ঐতিহ্য, বোধ-বিশ্বাস এবং চর্চিত ধর্ম ও সংস্কৃতিকে উপেক্ষা করা হয়েছে।

বিতর্কিত শিক্ষানীতি ২০১০ এবং প্রস্তাবিত শিক্ষাআইন ২০১৬-এর মতলব যে খারাপ, বর্তমান নতুন সিলেবাসই তার প্রমাণ। এই শিক্ষানীতি বাংলাদেশ ধ্বংসের শিক্ষানীতি। এই শিক্ষানীতি বাংলাদেশ থেকে ইসলাম ও মুসলমান জাতিসত্ত্বা ধ্বংসের রণকৌশল। বিতর্কিত শিক্ষানীতি, শিক্ষাআইন এবং হিন্দুত্ববাদী ও নাস্তিক্যবাদী পাঠ্যসূচী বাতিল করতে হবে।

আদর্শ নাগরিক আন্দোলন-এর উদ্যোক্তা ও আহবায়ক মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান-এর উদ্বোধনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সহ-সদস্য সচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহবায়ক মীর মো:শাহ্ শফিকুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে এই মানববন্ধনে উপস্থিত থাকবেন ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী [গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রদিষ্ঠাতা], ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান [ চেয়ারম্যান- বাংলাদেশ লেবার পার্টি], এডভোকেট আবেদ রেজা [নির্বাহি কমিটির সদস্য-বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল], মাওলানা মজিবুর রহমান হামিদী [যুগ্ম-মহাসচিব-খেলাফত আন্দোলন বাংলাদেশ ও সভাপতি-ঢাকা মহানগর], ডা. সাখাওয়াত হুসাইন [সাংগঠনিক সম্পাদক-ইসলামী ঐক্য আন্দোলন], শরীফ মোস্তফা জামান লিটু [সভাপতি- জাতীয়তাবাদী বন্ধু দল], মাহ্ম্মদ আবু সাঈদ পাটোয়ারী [সহ-সদস্য সচিব-কেন্দ্রীয় কমিটি ও যুগ্ম-আহবায়ক,চাঁদপুর জেলা] প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।  

এআই