সোমবার (২২ জুন) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
সার্চ কমিটির সভাপতি করা হয়েছে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হককে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক আল জলিল, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি), সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৭ অনুযায়ী ৫ সদস্যের সমন্বয়ে বাছাই কমিটি গঠন করা হলো।
আরও বলা হয়, বাছাই কমিটি উক্ত আইনের ধারা ৭ এর উপধারা (৪) এর বিধান অনুযায়ী দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে দুইজন ব্যক্তির নামের তালিকা প্রণয়ন করে ধারা ৬ এর অধীন নিয়োগ প্রদানের জন্য মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাবেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাছাই কমিটির কার্য-সম্পাদনে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা দেবে।
আইন অনুযায়ী, সার্চ কমিটি দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে ন্যূনতম দুইজন করে প্রার্থীর নামের তালিকা প্রস্তুত করে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করবে। পরে রাষ্ট্রপতি সেখান থেকে চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ দেবেন।
এর আগে ১৫ জুন জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দুদক গঠনে সার্চ কমিটি গঠনের বিষয়ে জানান।
তিনি বলেন, ‘হয়তো আপনারা মনে করেন সরকার আন্তরিক নয়। কিন্তু সরকার আন্তরিক ছিল। সার্চ কমিটি গঠন করা হবে এবং দুর্নীতি দমন কমিশন পুনর্গঠন করা হবে।’
সার্চ কমিটির মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের চলমান প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে একটি শক্তিশালী দুর্নীতি দমন কমিশন গড়ে তোলা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
গত ৩ মার্চ দুদকের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
তারপর থেকেই প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ এই পদগুলো খালি রয়েছে। সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে পদগুলোতে যোগ্য ব্যক্তিরা আসবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
এস