‘অনেক আলো জ্বালতে হবে মনের অন্ধকারে’ মূল প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে সকালে শুরু হয় বাংলা বর্ষবরণের অন্যতম বড় আকর্ষণ মঙ্গল শোভাযাত্রা।

মঙ্গলবার সকাল নয়টায় শোভাযাত্রাটি জনস্রোতে পরিণত হয়।

তরুণেরা মাথায় গামছা বেঁধে- পাঞ্জাবী পড়ে এবং তরুণীরা শাড়ি পরে বৈশাখের নানা বর্ণিল সাজে নিজেকে সাজিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেয়। প্রাণের এ শোভাযাত্রায় অংশ নেয় শিক্ষক-শিক্ষার্থী-পেশাজীবী-আইনজীবী-নারী-শিশুসহ সর্বস্তরের মানুষ।

প্রথমবারের মতো এক হাতের কাঠামোসহ আরও দশটি বিভিন্ন প্রতীকের কাঠামো নিয়ে শুরু হয় এই শোভাযাত্রা। এর মধ্যে রয়েছে একটি করে হাতি, ঘোড়া, বাঘ, মাছ, টেপা পুতুল ও ছাগল এবং তিনটি পাখি। পাখি তিনটির মধ্যে একটি কাকাতুয়া এবং দুটি পায়রা। এর প্রতিটি কাঠামোই ভিন্ন ভিন্ন অর্থ বহন করছে। মূল দশটি প্রতীক ছাড়াও শোভাযাত্রার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্যের অংশ হয়ে ওঠা অসংখ্য মুখোশ। ঢোল, ডুগি, একতারা, বাঁশিসহ দেশি বাদ্যযন্ত্র গুলোতো থাকছেই।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি রূপসী বাংলা হোটেল ঘুরে টিএসসি হয়ে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়।

শোভাযাত্রা শেষে চারুকলা অনুষদের পশ্চিম পাশে সারা দিন ধরে চলবে পুতুলনাচ ও চড়ক। পরদিন সন্ধ্যায় বকুলতলায় শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মঞ্চস্থ হবে যাত্রাপালা রক্তাক্ত প্রান্তর।

কেএইচ/এএইচ