নড়াইল-২ আসনের সাবেক সাংসদ ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল কাদের সিকদারের জানাজায় অংশ নিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ।
শুক্রবার (২১ মে) বিকাল ৩টায় নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের নাকসী মাদরাসা মাঠে তার নামাজে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
করোনা ভয় উপক্ষো করে তার জানাজায় অংশ নেন হাজার হাজার মানুষ। বিএনপি ও অংগ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জানাজায় অংশ নেন। নড়াইল জেলা ও পার্শ্ববর্তী জেলার সাধারণ মানুষেরা শতস্ফুর্ত ভাবে তারা জানাজায় অংশ নেন।
খুলনা মহানগর বিএনপি সভাপতি ও সাবেক খুলনা-৩ আসনের সাংসদ নজরুল ইসলাম মঞ্জু, বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতা ও যশোর জেলা বিএনপি নেতা অনিন্দ ইসলাম অমিত, খুলনা জেলা বিএনপি নেতা সাবেক খুলনা সিটি কর্পোরেশন মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, নড়াইল জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডভোকেট শাহরিয়ার রিজভী জর্জ, জেলা যুবদলের সভাপতি মশিয়ার রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাদাত কবীর রুবেল, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি সাইদুজ্জামান আমল, সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান বাচ্চু, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, আওয়ামী লীগ নেতা কাজী ইসমাইল হোসেন লিটন, সমাজ সেবক গোলাম মোর্তজা স্বপন, বিশিষ্ট ঠিকাদার রেজাউল আলম সহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক ব্যক্তিবর্গ তাঁর জানাজায় অংশ নেন।
তার স্ত্রী ও এক মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রয়েছে।
বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি আউড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, নড়াইল সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯৬ সালে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক থাকা কালে সর্বত্রই তাঁর একক আধিপত্য ছিল। তদুপরি তিনি কোন দিন ক্ষমতার অপব্যবহার করেননি। জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর ব্যাপক সুনাম ও সুখ্যাতি রয়েছে।
দীর্ঘ দিন যাবত ডায়াবেটিস, উচ্চ-রক্তচাপ সহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। বৃহস্পতিবার (২০ মে) রোগ বেড়ে গেলে তাকে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানকার ডাক্তারের পরামর্শে তাকে ঢাকা নেয়ার পথে শুক্রবার (২১ মে) ভোরে তিনি মারা যান।
হুমায়ুন/এমবি





