রংপুরের তারাগঞ্জে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় আজ শুক্রবার দুপুরে তাহামুদুল (৪) নামের এক শিশু মারা গেছে। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে। এ নিয়ে ওই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫। হাসপাতালের পরিচালক আ স ম বরকতুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শিশুটির বাড়ি রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের দারারপাড় গ্রামে। দুর্ঘটনার দিন ঘটনাস্থলে শিশুটির মা ওকরাবাড়ি ফারুকিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক জান্নাতী বেগম মারা যান। এর আগে ননী বালা (৫৫) নামের এক নারী গতকাল ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এদিকে তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহেল বাকী বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার হাইওয়ে পুলিশ বগুড়া অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিদুল ইসলামকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
এরপর তাঁরা দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে নিশ্চিত হয়েছেন যে সায়মুন পরিবহন বাসটির চাকা ছিল পুরোনো, যা ব্যবহারের অনুপযোগী। এ কারণে সামনের একটি চাকা ফেটে যায়। সেই সঙ্গে গাড়িচালক বেপরোয়া গতিতেও গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এ কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সায়মুন পরিবহনের চালক সৈয়দ আলীর এখনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক আ স ম বরকতুল্লাহ বলেছেন, চিকিৎসাধীন ৪৭ জনের মধ্যে ১৫ জনের অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক।
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ১৩ মাইল এলাকায় গত বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুমিল্লা থেকে ঠাকুরগাঁওগামী সায়মুন পরিবহন ও দিনাজপুর থেকে রংপুরগামী তৃপ্তি পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ওই দিনই ১৩ জন নিহত হন। আহত হন ৪৯ জন। আহত ব্যক্তিদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এম আর





