শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব) আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

এভিয়েশন শিল্পে বাংলাদেশের বিভিন্ন সফলতার বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার দূরদর্শী চিন্তাভাবনার মাধ্যমে দেশে এভিয়েশন খাত প্রতিষ্ঠায় বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের এভিয়েশন উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে এভিয়েশন দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। আর্থ সামাজিকভাবেও বিমান খাত উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে।

মফিদুর রহমান বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিমান ও পর্যটন খাতের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নতি করেছে। বাংলাদেশেরও সময় এসেছে এ খাতকে যথাযথভাবে ব্যবহার করার। বাংলাদেশে এখন ৫২টি বিমান সেবা রয়েছে, ৩০টি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার রয়েছে, ১১টি কার্গো এবং ৪টি এয়ারবাস রয়েছে। বিদেশি কয়েকটি এয়ারলাইন্স বাংলাদেশে আসতে চাইছে। কিন্তু জায়গার সংকুলান থাকায় সেটা আমরা এখন নিতে পারছি না। এরইমধ্যে ঢাকা এবং চট্টগ্রামে আমরা টার্মিনাল প্রশস্ত করার কাজ করছি।

সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোকাম্মেল হোসেন, নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি, এমিরেটসের কান্ট্রি ম্যানেজার মোহাম্মদ আলহাম্মাদি, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহির মোহাম্মদ জাবের প্রমুখ।

এমআই