মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার করাদাইর নদী দখল ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ইসলামপুর গ্রামের দু’পক্ষের কয়েকবার সংঘর্ষের জেরে পুরো উপজেলায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আইনুর আক্তার পান্না।
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, রাজনগর উপজেলার কাউয়াদীঘি হাওরের সঙ্গে কুশিয়ারা নদীর সংযোগ নদ কারাদাইরে মাছের প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘ফিসফাস প্রজেক্ট’ নামে একটি প্রকল্প কারা হয় ২৫ বছর আগে। ওই নদী চলমান হওয়ায় এবং ফিসফাস প্রজেক্ট থাকায় প্রশাসন এটির ইজারা দেয়নি। কিন্তু দু’বছর আগে মন্ত্রণালয় থেকে একটি মৎস্যজীবী সমিতির নামে ইজারা দেয়া হলে এ নিয়ে আদালতে মামলা চলে। সম্প্রতি নদীটির দখল নিয়ে স্থানীয় দু’পক্ষ ওই এলাকার কাশিমপুর বাজারে বেশ কয়েকবার সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। উভয় পক্ষে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনাও ঘটে।
এরই ধরাবাহিকতায় গত ২৪ মে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়- আখল মিয়া (৫৫), সাদ্দাম মিয়া (২২), রুকন মিয়া (১৮), জয়নাল মিয়া (৫৫), সুহেল মিয়া (২২)। গুরুতর আহত আখল মিয়াকে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা থেকে কাশিমপুর বাজারে জয়নাল মিয়া ও ইউনুছ মিয়ার নেতৃত্বে দু’পক্ষ দেশিয় অস্ত্রসহ অবস্থান নেয়। খবর পেয়ে রাজনগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে সংঘর্ষ এড়াতে সেখানে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনির্দিষ্টকালের ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
জেলার রাজনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আইনুর আক্তার পান্না ১৪৪ ধারা জারির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
কেএইচ





