রাঙ্গামাটিতে গৃহবধূকে হত্যার ঘটনায় স্বামী কাজল মিয়া ও তার মাতা লাভলী বেগমকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার দুপুরে শহরের পুরাতন বাস স্টেশন এলাকা থেকে হত্যা মামলার প্রধান আসামী কাজলকে আটক করা হয়।
এর আগে গত ৮ জুন রাঙ্গামাটি শহরের উন্নয়ন বোর্ডস্থ এলাকা থেকে নিহত গৃহবধূ হাছিনা বেগমের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এসময় ঘটনাস্থল থেকে গৃহবধূর শাশুড়ি লাভলী বেগমকে আটক করেছিলো পুলিশ। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করলে আদালতে দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয় লাভলী বেগম। এই ঘটনায় নিহতের দেবর ইউসুফ মিয়াকেও পুলিশ আটক করেছে।
এদিকে, জিজ্ঞাসাবাদে লাভলী বেগম জানায়, ছেলে কাজল মিয়াকে সাথে নিয়ে প্রথমে মারধর ও পরে গলায় রশি পেছিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে মাত্র পাচঁ মাস আগে বিয়ে করে ঘরে তোলা গৃহবধূ হাছিনা খাতুনকে।
পুলিশ আটকদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক হত্যা করার সময় ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রাঙ্গামাটি কোতয়ালী থানার এসআই আনোয়ার হোসেন।
তিনি জানান, এই ঘটনার পর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের মামলা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৮ জুন নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগ করা হয়।
স্থানীয়রা জানায়, রোববার বিকেলে ঘরের ভেতর থেকে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে হাছিনা খাতুনের শাশুড়ি এলাকার লোকজন ডেকে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে দেখেন খাটের উপর হাসিনার নিথর মরদেহ পড়ে আছে। পরে খবর পেয়ে কোতয়ালী থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে।
এ সময় নিহতের মুখ-গলায় ও শরীরে বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন ও কান দিয়ে রক্ত বের হওয়া অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন দায়িত্বরত এস আই আনোয়ার।
ঢাকা, ১৪ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএইচ