ভোলায় গত ৬ মাসে ৮শ’ ৬০টি অপরাধ রেকর্ড করা হয়েছে। সাত উপজেলার ৯টি থানার রেকর্ড অনুযায়ী চলতি বছরের ৬ মাসে অপরাধ গুলো সংগঠীত হয়েছে।
জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী ভোলা সদর উপজেলায় জানুয়ারিতে ৩৪টি, ফেব্রুয়ারিতে ৩৬টি, মার্চে ৩৫টি, এপ্রিলে ৩৫টি ও মে’তে ৪৩টি, জুন মাসে ৪০টিসহ মোট ২শ’ ২৩টি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
দৌলতখান উপজেলায় জানুয়ারিতে ৯টি, ফেব্রুয়ারিতে ১০টি, মার্চে ৮টি ও এপ্রিলে ৯টি ও মে’তে ১৩টি, জুন মাসে ১৫টিসহ মোট ৬৪টি সহ অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলায় জানুয়ারিতে ২৯টি, ফেব্রুয়ারিতে ২৯টি, মার্চে ৩৩টি, এপ্রিলে ২৮টি ও মে’তে ৩৫টি,জুন মাসে ৩১টিসহ মোট ১শ’ ৮৫টি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
লালমোহন উপজেলায় জানুয়ারিতে ১৭টি, ফেব্রুয়ারিতে ১৮টি, মার্চে ২৮টি, এপ্রিলে ১৮টি ও মে’তে ২৬টি, জুন মাসে ২৬টিসহ মোট ১শ’ ৩৩টি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
তজুমুদ্দিন উপজেলায় জানুয়ারিতে ৮টি, ফেব্রুয়ারিতে ১১টি, মার্চে ১৩টি, এপ্রিলে ৯টি ও মে’তে ১২টি , জুন মাসে ১৪টিসহ মোট ৬৭টি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
চরফ্যাশন উপজেলায় জানুয়ারিতে ২৩টি, ফেব্রুয়ারিতে ২৩টি, মার্চে ২৬টি, এপ্রিলে ২৬টি ও মে’তে ২৫টি, জুন মাসে ২৬টিসহ মোট ১শ’৪৯ টি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
মনপুরা উপজেলায় জানুয়ারিতে ২টি, ফেব্রুয়ারিতে ১টি, মার্চে ২টি, এপ্রিলে ৩টি ও মে’তে ২টি, জুন মাসে ৩টিসহ মোট ১৩টি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
অন্যদিকে নব গঠিত শশীভূশণ থানায় জানুয়ারিতে ১৫টি, ফেব্রুয়ারিতে ১১টি, মার্চে ১৬টি, এপ্রিলে ১৫টি ও মে’তে ১২টি, জুন মাসে ১৭টিসহ মোট ৮৭টি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
দক্ষিণ আইচা থানায় জানুয়ারিতে ৯টি, ফেব্রুয়ারিতে ৬টি, মার্চে ৫টি, এপ্রিলে ৪টি ও মে’তে ১০টি, জুন মাসে ৬টিসহ মোট ৪০টি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, ভোলার ৭ উপজেলায় ৯টি থানায় ২০১৫ সালে ৬ মাসে ৮শ’ ৬০টি অপরাধ হলেও বেসরকারী ভাবে অপরাধের চিত্র আরো বেশী। অনেক অপরাধ প্রভাবশালীদের কারণে এবং গ্রাম্য সালিশীর মাধ্যমে থানা পর্যন্ত না গড়িয়ে এলাকায় সমাধান হয়েছে।
এআই





