ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের কহরপাড়া গ্রামে আঞ্জুয়ারা (২৫) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার দিনগত রাত ১০টায় ওই মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের কহরপাড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য সমির উদ্দীনের ছেলে দুলু হোসেনের সঙ্গে দিনাজপুর জেলার কাহারোল ইউনিয়নের দেবিপুর গ্রামের সফিউল ইসলামের মেয়ে আঞ্জুয়ারার তিন মাস আগে বিয়ে হয়।
বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে বিভিন্ন সময় ছেলেসহ পরিবারের লোকজন আঞ্জুয়ারার ওপর নির্যাতন চালাতো। শনিবার সন্ধ্যার পর তার ওপর নির্যাতন চালালে সইতে না পেরে মেয়েটি মারা যায়।
পরে মেয়েটির গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে তারা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মেয়েটির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের মা নিলিফা বেগম জানান, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য মেয়ের ওপর নির্যাতন চালানো হতো। এক সপ্তাহ আগেও ৬০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করে তারা মেয়েকে মারধর করে।
চাহিদা অনুযায়ী টাকা না দেওয়ায় মেয়েকে হত্যা করে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মেহেদী হাসান বলেন, বিষয়টি রহস্যজনক বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এসএইচ





