দিনাজপুরে মহে রমজান শুরু হতে না হতেই অস্থির হয়ে ওঠেছে মাছ, মাংস সহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের বাজার।
জেলার বিভিন্ন উপজেলা বাজার ঘুরে দেখা গেছে গুরুর মাংস প্রতি কেজিতে বেড়েছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা, ব্রয়লার মুরগীর কেজি প্রতি ৪০থেকে ৬০ টাকা, পেয়াজ কেজি প্রতি ১৫-২০ টাকা কাঁচা মরিচের দাম প্রায় দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। মাছ প্রকার ভেদে নিম্নে ৫০ টাকা থেকে উর্দ্ধে তিনশত টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
দিনাজপুরের বাহাদুর বাজার থেকে কৃষক ছাব্বির হোসেন নামে এক মধ্যআয়ের ক্রেতা জানিয়েছেন, এমনিতেই কিছুদিন পূর্বে গরুর মাংসের দাম দুইশত পঞ্চাশ থেকে তিনশত টাকে বেড়েছে, আবার রমজান শুরু হতে না হতেই সেই গরুর মাংস এখন তিনশত ষাট টাকা দিয়ে কিনলাম, এভাবে যদি মাংসোর দাম বাড়তে থাকে তবে আমরা কিনবো কি করে!!
শাকসবজির মধ্যে আলু, পটলের দাম খুব একটা বৃদ্ধি না পেলেও বেড়ে দিগুণ হয়েছে বেগুন, টমেটো, ঝিঙা, বরবটি, করলা ও শসার দাম। ডাল ও তেলের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে তবে আদা ও রসুনের দাম বেড়েছে প্রায় দের থেকে দিগুন।
বীরগঞ্জ পৌরসভার সবজিবাজারের ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, রমজান মাসে পরিবহণ সহ বিভিন্ন খরচাবাদি বেশি হওয়ার করণে দাম একটু বেশি নেয়া হচ্ছে।
বীরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মাওঃ হানিফ জানিয়েছেন, সাভাবিক ভাবে রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চাহিদা বেশী থাকে যার কারণে দাম একটু বেড়ে যায়, তবে আমরা বাজার মনিটরিংয়ের মাধ্যামে দাম নিয়ন্ত্রন করার চেষ্টা চালাচ্ছি।
এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী মাহে রমজানকে পূজি করে সুযোগ বুঝে এসব জিনিসের দাম বাড়াচ্ছে বলে ধারনা করছেন বিশিষ্টজনেরা। সরকারের একান্ত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে বাজার মুল্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে মনে করেন স্থানীয় সাধারণ জনগন।
ইআর





