কুষ্টিয়ায় নাশকতা মামলায় জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমীসহ ৮নেতার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন আদালত।

এছাড়া কুষ্টিয়া সদর থানার নাশকতার মামলায় আরও ৭ নেতার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আদালত সুত্র জানায়, বুধবার সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী ও জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক শফিউর রহমান আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে এ জামিন নামঞ্জুরের আদেশ দেন।

অপরদিকে, জেলা বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আল আমিন কানাই, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মঈদ বাবুল, যুগ্ম আহবায়ক মহিউদ্দিন চৌধুরী মিলন, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক একে শাওন, আবু সাঈদ জাকারিয়া উৎপল, কুষ্টিয়া শহর ছাত্রদলের সভাপতি মাহফুজুর রহমান মিথুন ও কল্লোল একই দিন সদর আমলী আদালত-১ এর বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাজ্জাদুর রহমান এর আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে এ জামিন নামঞ্জুরের আদেশ দেন।

আদালতের কার্যক্রম শেষে কিছু সময় পর বিএনপি নেতাদের কুষ্টিয়া কারাগারে নেওয়া হয়। আদালতে তাদের পক্ষে এ্যাড. আব্দুল মজিদসহ অন্তত ১০ জন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, গত ২৭ জানুয়ারি কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের শান্তিডাঙ্গা এলাকায় একটি ট্রাকে পেট্টোল বোমা হামলার ঘটনায় ইবি থানার পুলিশ বাদি হয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৫৭ নেতা-কর্মীকে অভিযুক্ত করে মামলা করেন। এ মামলায় আদালতে চার্জশীট দাখিল করেছে পুলিশ।

গত ১৬ জুলাই সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী হাইকোর্ট থেকে ৪ সপ্তাহের জামিন লাভ করেন।

৫ই জানুয়ারি বিএনপির কালো পতাকা মিছিলে শহরের বড় বাজারে সংঘর্ষের ঘটনায় ৩০জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরোও ৬০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পুলিশের উপর হামলা ও ভাংচুরে একটি মামলা করে মডেল থানা পুলিশ।

এ মামলায় গত ১৬ জুলাই আল আমিন কানাই, আব্দুল মঈদ বাবুল, মহিউদ্দিন চৌধুরী মিলন, একে শাওন, আবু সাঈদ জাকারিয়া উৎপল, মাহফুজুর রহমান মিথুন ও কল্লোল হাইকোর্ট থেকে ৪ সপ্তাহের জামিন লাভ করেন।

হাইকোর্টে দেয়া জামিন শেষে তারা বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

এমকে